মাসসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় শামার জোসেফ

জানুয়ারি মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ঐতিহাসিক এক জয় এনে দিতে অবদান ছিল শামার জোসেফের। তাতে আইসিসির প্লেয়ার অব দ্য মান্থে মাসসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে তালিকার বাকি দু’জন হলেন- ইংল্যান্ডের শক্তিশালী টপ অর্ডারের আনসাং হিরো ওলি পোপ ও অস্ট্রেলিয়ান পেসার জশ হ্যাজলউড।    

ডানহাতি পেসার শামার অভিষেক টেস্টেই আলো ছড়িয়েছেন। প্রথম ডেলিভারিতে নিয়েছেন অভিজ্ঞ স্টিভেন স্মিথের উইকেট। অ্যাডিলেডে টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জিতলেও ওই ম্যাচে ৯৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন তিনি। ব্যাট হাতেও রাখেন দারুণ অবদান। ১১ নম্বরে নেমে দলের প্রয়োজনে করেছেন ৩৬ ও ১৫। শামার নিজের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছেন দ্বিতীয় টেস্টে। তার এক বিধ্বংসী স্পেলেই ১৯৯৭ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় সফরকারী দল। ৬৮ রানের বিনিময়ে একাই ৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি! দুই টেস্টে ৫৭ রানের পাশাপাশি নিয়েছেন ১৩ উইকেট।

ইংল্যান্ড ব্যাটার ওলি পোপকে নিয়ে সেভাবে আলোচনায় হয় না। কিন্তু হায়দরাবাদে ইংলিশদের অপ্রত্যাশিত জয়ের মূল কারিগর ছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে উপহার দেন অনবদ্য ১৯৬ রানের ইনিংস। অথচ প্রথম ইনিংসে মাত্র ১ রানে আউট হয়েছিলেন। শুরুতে ছিল ভারতেরই নিয়ন্ত্রণ। তার পর ম্যাচটা সফরকারীদের নিয়ন্ত্রণে আসে তার দৃঢ়চেতা ব্যাটিংয়ে। ১৯৬ রান ঘরের বাইরে তার সর্বোচ্চ স্কোর। ভারতের মাটিতে ইংলিশ কোনও খেলোয়াড়ের চতুর্থ সর্বোচ্চ ইনিংসও এটি।

জশ হ্যাজেলউড অস্ট্রেলিয়ান বোলিংয়ের নির্ভরযোগ্য একটি অস্ত্র অনেক দিন ধরে। জানুয়ারিতে তার ধারাবাহিক ছন্দেই উপকৃত হয়েছে অজি দল। নিয়েছেন মোট ১৯ উইকেট। 

আইসিসির ভোটিং একাডেমি ও ক্রিকেট সমর্থকদের যৌথ ভোটে নির্বাচন করা হয় মাসের সেরা। আইসিসির বিশেষজ্ঞ প্যানেলের ৯০ শতাংশ এবং সমর্থকদের ভোটের ১০ শতাংশ বিবেচনায় এনে ঘোষণা করা হয় চূড়ান্ত ফলাফল।