ওয়েলিংটনে সিরিজের প্রথম টেস্ট জয়ের লক্ষ্যে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৩৬৯ রানের লক্ষ্যে ১১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে স্বাগতিকরা। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ২৫৮ রান। সেটি করতে রেকর্ডই গড়তে হবে নিউজিল্যান্ডকে।
ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ ৩২৪ রান তাড়া করে জয়ের নজির আছে নিউজিল্যান্ডের। তাও সেটা ১৯৯৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে। কিউইদের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডটি ৩৪৫ রানের। ১৯৬৯ সালে সেটি করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অফ স্পিনার গ্লেন ফিলিপসের ঘূর্ণিতে ১৬৪ রানে থেমেছে অজিদের দ্বিতীয় ইনিংস। চায়ের বিরতিতে যাওয়ার আগে কিউইদের স্কোর ছিল ১ উইকেটে ১৫ রান। ৮ রানে শুরুতে ফিরেছেন টম ল্যাথাম। কেন উইলিয়ামসনও তেমন অবদান রাখতে পারেননি। ৯ রানে ফিরেছেন। ৫৯ রানে উইল ইয়াং (১৫) তৃতীয় উইকেট হিসেবে ফিরলে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। তার পর ধাক্কা সামাল দিতে থাকেন রাচিন রবীন্দ্র ও ড্যারিল মিচেল। রাচিন হাফসেঞ্চুরি তুলে ৫৬ রানে ব্যাট করছেন। মিচেল ব্যাট করছেন ১২ রানে। ২৭ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন নাথান লায়ন। ১০ রানে একটি শিকার ট্রাভিস হেডের।
এর আগে ২ উইকেটে ১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়া লাঞ্চের পর শেষ ৬ উইকেট হারিয়েছে ১৩ ওভারের মধ্যে! পিচ থেকে ভালোই সহায়তা পেয়েছে স্বাগতিক বোলাররা। মিডল অর্ডার ধসিয়ে দিতে অবদান রাখেন গ্লেন ফিলিপস। ৪৫ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। প্রথম ইনিংসে কোনও উইকেট পাননি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে বেসিন রিজার্ভে ৩৪ বছর পর দ্বিতীয় কিউই স্পিনার হিসেবে ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি।
প্রথম সেশনেই দুটি ব্রেকথ্রু পায় নিউজিল্যান্ড। তুলে নেয় সর্বোচ্চ স্কোরার ও নাইটওয়াচম্যান নাথান লায়ন (৪১) এবং ওপেনার উসমান খাজার উইকেট (২৮)। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ক্যামেরন গ্রিন ৩৪ রান করেছেন। ট্রাভিস হেডের ব্যাট থেকে আসে ২৯। মূলত পঞ্চম উইকেটে তাদের গড়া ৪৬ রানের পার্টনারশিপ ভাঙার পরই ধস নামে ইনিংসে।