পারটেক্সকে গুঁড়িয়ে ১৭১ রানের জয় আবাহনীর

প্রথম বিভাগ থেকে উঠে এসেছে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব। প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর কাছে উড়ে গেছে তারা। আবাহনীর দেওয়া ২৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে তানভীর ইসলামের স্পিন ঘূর্ণিতে ৯৭ রানে অলআউট হয় পারটেক্স। তাতে ১৭১ রানের জয়ে দারুণ শুরু হয় আবাহনীর।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় আবাহনী। নাঈম শেখ ও সাব্বির হোসেন মিলে ১০৭ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন। নাঈম ৫৮ বলে ৩৭ রান করে আউট হলেও সাব্বির হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন। ৫৯ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। জাতীয় দলের আরেক ক্রিকেটার মাহমুদুল হাসান জয়ের ব্যাট থেকে আসে ৩৪ রানের ইনিংস।

আবাহনীর অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৪৮ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলেন। সাইফউদ্দিন খেলেছেন ৩৫ বলে ৩১ রানের ইনিংস। সিলেটে প্রথম ম্যাচে গ্যালারি মাতিয়ে ছিলেন জাকের আলী। তিনি ৩১ বলে ২১ রান করেছেন। তবে ব্যর্থ হয়েছেন আফিফ হোসেন। টপ অর্ডারে খেলে গোল্ডেন ডাক মেরেছেন এই অলরাউন্ডার। সবার সম্মিলিত পারফরম্যান্সে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬৮ রান সংগ্রহ করে আবাহনী।

পারটেক্সের বোলারদের মধ্যে আসাদুজ্জামান পায়েল ও মোহর শেখ তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। মুক্তার আলী নেন দুটি উইকেট।

২৬৮ রানের জবাবে খেলতে নেমে বাঁহাতি স্পিনার তানভীরের ঘূর্ণি জাদুতে কুপোকাত হয় পারটেক্সের ব্যাটাররা। ৩২.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৯৭ রানে অলআউট হয় নবীন এই দলটি। সর্বোচ্চ ২০ রান আসে রাজিবুল ইসলামের ব্যাট থেকে। পাঁচ জন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরু পেরোলেও কেউই ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ রান আসে মুক্তার আলীর ব্যাট থেকে।   

আবাহনীর হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন তানভীর। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে উইকেটগুলো নেন তিনি। তার হাতে ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার। ২টি করে উইকেট নেন রাকিবুল হাসান ও সাইফউদ্দিন। ১টি করে উইকেট জমা হয় খালেদ আহমেদ-নাহিদুল ইসলামের ঝুলিতে।