মুশফিক হাসান জেতালেন মোহামেডানকে

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডে জয় দিয়ে শুরু করেছে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। মঙ্গলবার সিটি ক্লাবের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করে ২৪০ রান করে তারা। জবাবে খেলতে নেমে সিটি ক্লাব মোহামেডানের পেসার মুশফিক হাসানের তোপের মুখে পড়ে ১৯৭ রানে অলআউট হয়। আর তাতেই ৪৩ রানের জয়ে লিগে শুভ সূচনা করে মোহামেডান।

বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় মোহামেডান। কিন্তু দলীয় ১২ রানে ওপেনার ইমরুল কায়েসকে (৮) হারায় তারা। তবে দ্বিতীয় উইকেটে রনি তালুকদার ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন মিলে গড়েন ১৩৭ রানের জুটি। ১০৮ বলে ৪ চার ও ৪ ছক্কায় ৭১ রানের ইনিংস খেলে রনি আউট হতেই এই জুটি ভাঙে মোহামেডানের। পরের ওভারে স্কোরবোর্ডে আর কোনও রান যোগ না হতেই ফেরেন অঙ্কন। ৮৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় তিনি খেলেন ৬৭ রানের ইনিংস। এরপর রুবেল মিয়ার ৩৩, আরিফুল ইসলামের ১৯ ও আরিফুল হকের ১৬ রানের ওপর দাঁড়িয়ে ৪৯.৩ ওভারে ২৪০ রান তুলেতে পারে মোহামেডান।

সিটি ক্লাবের বোলারদের মধ্যে মেহেদী হাসান ৩৫ রানে চারটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া সঞ্জিত সাহা, রাফসান আল মাহমুদ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। একটি উইকেট নিয়েছেন ইরফান হোসেন।

২৪১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৭ রানে তিন উইকেট হারায় সিটি ক্লাব। তবে চতুর্থ উইকেটে শাহরিয়ার কমল ও রাফসান আল মাহমুদ মিলে ৫৪ রানের জুটি গড়েন। শাহরিয়ার ৩৮ রানে আউট হতে ফের ছন্দপতন ঘটে দলটির। তবে সপ্তম উইকেটে মঈনুল ইসলাম সোহেলকে সঙ্গে নিয়ে রাফসান ৬৩ রানের জুটি গড়েন। তাদের এই জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল সিটি ক্লাব। কিন্তু রাফসান ৫৬ রানে আউট হতেই ম্যাচটা হাতের মুঠো থেকে ফসকে যায়। সোহেল জয়ের চেষ্টায় লম্বা শট খেলতে গিয়ে ৩৬ রানে আউট হন। তারপর বেশিক্ষণ ঠিকতে পারেনি সিটি ক্লাব। ৪৬.২ ওভারে ১৯৭ রানে তুলে অলআউট হয় দলটি।

মোহামেডানের বোলারদের মধ্যে ৪৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার মুশফিক হাসান। এছাড়া আরিফুল ইসলাম ২২ রানে নেন তিনটি উইকেট। নাঈম হাসান নেন দুটি উইকেট। একটি উইকেট নেন আরিফুল হক।