বল হাতে রানার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ বোলিং কোচ

আবাহনীর হয়ে প্রিমিয়ার লিগ খেলার অপেক্ষায় প্রহর গুনছিলেন নাহিদ রানা। প্রথম তিন রাউন্ডে খেলতে না পারলেও শিগগিরই মাঠে নামতেন তিনি। তবে ঢাকা লিগে আর খেলতে হয়নি রানাকে। ঘরোয়া ক্রিকেটে খুব বেশি ম্যাচ না খেলেই জাতীয় দলের সাদা পোশাকে অভিষেক হয়ে গেলো গতিময় এই পেসারের। শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্রিকেটের অভিজাত আঙিনায় পা রাখেন তিনি। প্রথম ম্যাচে আলো ছড়িয়েছেন এই পেসার। তার বোলিংয়ে মুগ্ধ হয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। বোলিং কোচ আন্দ্রে অ্যাডামস তো প্রশংসায় ভাসালেন তরুণ এই পেসারকে। 

শুক্রবার দিনের নবম ওভারে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তার হতে বল তুলে দেন। প্রথম বলটাই করেন ঘণ্টায় ১৪৬ কিলোমিটার গতিতে। পুরো দিন একই গতিতে বোলিং করে গেছেন তিনি। বাড়তি গতি দিতে গিয়ে লাইন-লেন্থে কিছু সময় এলোমেলো ছিলেন। তবে শেষ সেশনে তার গতির কাছেই পরাস্ত হতে হয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। অথচ রানা তিন বছর আগেও ক্রিকেট বলে খেলার সুযোগ পাননি। ১৮ বছর বয়সে প্রথম সুযোগ আসে। শুক্রবার নিজের অভিষেক ম্যাচে ১৪ ওভারে ৮৭ রান খরচ করে তিন উইকেট নিয়ে অভিষেকটা বেশ ভালো করেই রাঙালেন এই পেসার।

প্রথম দিনের খেলা শেষ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে আসেন পেস বোলিং কোচ অ্যাডামস। রানাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, ‘সে প্রতিভাবান, সে গতিময়। প্রায় প্রতিটি বল ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে করেছে। তার বোলিং অ্যাকশনও সুন্দর। সে এখনও আনকোরা, দুর্দান্ত হয়ে উঠতে তার আরও অনেক কিছু শিখতে হবে।'