বৃষ্টিতে সেমিফাইনাল পরিত্যক্ত হলে ফাইনালে কারা?

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান। একই দিনে রাতে ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালের জন্য রিজার্ভ ডে রাখলেও নেই ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে। অথচ গায়ানায় ওই ম্যাচেই বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল, ৩৫ থেকে ৬৮ শতাংশ। তবে রিজার্ভ ডে না থাকলেও ফাইনালিস্ট নির্ধারণে কিছু নিয়ম করেছে আইসিসি।

প্রথম সেমিফাইনালের জন্য বাড়তি একটি দিন রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ত্রিনিদাদে আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকার এই লড়াই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায়। রিজার্ভ ডে থাকলেও চেষ্টা করা হবে প্রথম দিনে ওভার কমিয়ে হলেও ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার। নির্ধারিত সময়ের বাইরেও তাই বাড়তি ৬০ মিনিট সময় রাখা হয়েছে। এমনিতে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করার জন্য অন্তত ৫ ওভার খেলা হতেই হয়। তবে এবার সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্য নিয়মটি ভিন্ন। এসব ম্যাচে খেলা হতে হবে কমপক্ষে ১০ ওভার করে। তাতেও শেষ না হলে রিজার্ভ ডেতে বাড়তি থাকছে ১৯০ মিনিট। তবে রিজার্ভ ডেতে ম্যাচ গেলে নির্ধারিত দিনে যেখানে খেলা শেষ হয়েছে, সেখান থেকেই ম্যাচ শুরু হবে। নতুন করে টস কিংবা একাদশ বদলের কোনও সুযোগ নেই। যদি রিজার্ভ ডেতেও ম্যাচ শেষ করা সম্ভব না হয়, তাহলে সুপার এইট পর্বে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে থাকা দল পৌঁছে যাবে ফাইনালে।

এদিকে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ হবে গায়ানায়। এই ম্যাচে রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। গায়ানায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়) শুরু হবে এই ম্যাচ। তবে আইসিসি দ্বিতীয় সেমিফাইনালে কেন রিজার্ভ ডে রাখেনি, সেই ব্যাখ্যা দেয়নি। কারণটা অবশ্য অনুমিতই, দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মাঝে বিরতি কেবল একদিনের। ম্যাচ রিজার্ভ ডেতে গড়ালে জয়ী দলকে খেলতে হবে টানা দুই দিন। সেই পথে কোনও দলকে ঠেলে দিতে চায়নি আইসিসি।

বৃহস্পতিবার গায়ানায় ৮৮ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যে মাঠে খেলা, সেখানকার পানি নিষ্কাষণ ব্যবস্থাও খুব ভালো নয়। ম্যাচের আগে যদি ভারী বৃষ্টি হয়, তা হলে আউটফিল্ড ভেজা থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে খেলা শুরু হতে দেরি হবে। ম্যাচের সময় বৃষ্টি হলে তো খেলাই সম্ভব নয়। ম্যাচ ভণ্ডুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ফল বের করা হবে কীভাবে? আইসিসি চেষ্টা করবে যতটা সময় লাগুক, সেদিনই ম্যাচের ফলটা বের করতে। অন্য ম্যাচের মতো তাই এখানে ১৯০ মিনিট নয়, নির্ধারিত সময়ের বাইরে মোট ২৫০ মিনিট বাড়তি সময় রাখা হয়েছে। বাড়তি সময়েও ম্যাচ শেষ না করা গেলে, সুপার এইট পর্বে এগিয়ে থাকায় ভারত চলে যাবে ফাইনালে।