কলম্বোর হারের দিনে সবচেয়ে খরুচে তাসকিন

আগে ব্যাটিং করে কলম্বো স্টাইকার্স ১৮৮ রান সংগ্রহ করে। ডাম্বুলার ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে জাফনা কিংস লক্ষ্যটা সহজ করে জিতেছে। ৯ বল হাতে রেখেই জাফনা তাসকিনদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে। ম্যাচে তাসকিন ব্যাট হাতে ক্যামিও ইনিংস খেললেও বল হাতে ছিলেন ব্যর্থ । ৩ ওভারে ৩৮ রান খরচায় নিয়েছেন একটি উইকেট। বল হাতে তিনিই দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান দেন।

ডাম্বুলায় টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কলম্বোর। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ১১ বলে ২৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন। এর প্রভাব পড়ে কলম্বোর স্কোরবোর্ডে। যদিও অ্যাঞ্জেলো পেরেরা ও গ্লেন ফিলিপস মিলে দ্বিতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। তবে তাদের ৫১ বলে ৮৬ জুটি ভাঙার পর বাকি ব্যাটারদের কেউই সেভাবে রান পাননি। পেরেরা ৩০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড হার্ট হন। তাতেই ছন্দ হারায় কলম্বো। ফিলিপসের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৫৮ রানের ইনিংস। সবমিলিয়ে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে কলম্বো তুলতে পারে ১৮৮ রান।

জাফনার বোলারদের মধ্যে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও আসিথা ফার্নান্ডো দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। 

জবাবে খেলতে নেমে ৩০ রানের মধ্যে দুই ওপেনার কুশল পেরেরা এবং পাথুম নিসাঙ্কাকে হারিয়ে ফেলে জাফনা। এর মধ্যে নিসাঙ্কাকে ফেরান তাসকিন। পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই তার উইকেট তুলে নেন বাংলাদেশি স্পিডস্টার। যদিও সেই ওভারে ১৪ রান খরচ করেন তাসকিন। 

শুরুতে দুই উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে রাইলি রুসো ও আভিষ্কা ফার্নান্ডো মিলে ৬৪ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন। রুসো ৪৪ বলে সেঞ্চুরি ছুঁয়ে গড়েছেন এলপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। আভিষ্কা ৫৮ রানে আউট হলেও রুসো ১০৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৫০ বলে ১২ চার ও ৬ ছক্কায় খেলা তার ইনিংসের সুবাদেই জাফনা ৯ বল আগে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যটা ছুঁয়ে ফেলে।

জাফনা জয়ে ফিরে ছয় ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে। টানা দ্বিতীয় হারের পর পাঁচ ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে কলম্বো।