মুশফিককে নিয়েই রাওয়ালপিন্ডিতে নামছে বাংলাদেশ

পাকিস্তান শাহীনসের বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচ খেলতে গিয়ে আঙুলের চোট পেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। এই চোটে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে পারেননি। তবে এই মুহূর্তে বেশ ভালো অবস্থানে আছেন উইকেট কিপার এই ব্যাটার। বুধবার শুরু হওয়া দুই টেস্টের প্রথমটিতে তাকে নিয়েই বাংলাদেশ মাঠে নামতে যাচ্ছে।
 
মঙ্গলবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানিয়েছেন, অভিজ্ঞ ক্রিকেটার খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এছাড়া বাকিদের ফিটনেস নিয়েও আশার কথা শুনিয়েছেন তিনি, ‘আমি বিশ্বাস করি বেশিরভাগ খেলোয়াড়রাই ফিট রয়েছে। মুশফিকুর রহিম প্রথম ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত।’

লঙ্কানদের বিপক্ষে ভালো করতে না পারলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদী শান্ত, ‘টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এবার নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে আমাদের ভালো সিরিজ গেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো খেলতে পারিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে এবার আমাদের ভালো সুযোগ আছে। দলও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। আশা করি, এখানে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।’

পেস বান্ধব কন্ডিশনের জন্য পরিচিত রাওয়ালপিন্ডির উইকেটে নাসিম শাহ, শাহীন আফ্রিদি, মোহাম্মদ আলী এবং খুররম শাহজাদের মতো বোলারদের নিয়ে পেস আক্রমণ সাজিয়েছে পাকিস্তান। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত দলের ভারসাম্যপূর্ণ বোলিং ইউনিট নিয়ে আশাবাদী, যার মধ্যে পেস ও স্পিন উভয় বিকল্পই রয়েছে, ‘গত কয়েক বছরে আমাদের খুব ভালো পেস বোলিং ইউনিট ছিল। আমাদের তিন-চারজন কোয়ালিটি স্পিনারও আছে, তাই সব দিক কভার করেছি। কাল যখন আমরা মাঠে নামবো, তখন উইকেট মূল্যায়ন করে দল চূড়ান্ত করবো। তবে আপনি যেমনটি উল্লেখ করেছেন, সিমাররা এখানে কিছুটা সুবিধা পায়। আমাদের বোলাররা এই পরিস্থিতিতে ভালো পারফর্ম করার জন্য সত্যিই মুখিয়ে আছে।’

গত কয়েক বছর ধরে বোলাররা বেশ ভালো করলেও ব্যাটিংয়ে ভুগছে বাংলাদেশ। লঙ্কানদের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণেই হারতে হয়েছিল। আরও একটি সিরিজ যখন সামনে, তখন ফের শঙ্কা জাগছে বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে। অধিনায়ক শান্তও অবশ্য আশাবাদী ব্যাটাররা তাদের সামর্থ্য দেখাতে পারবেন, ‘ব্যাটার হিসেবে সবসময় চিন্তা থাকে, কীভাবে স্কিলটা উন্নত করা যায়। তাই অনুশীলন যখনই করেছি, ঘাটতির জায়গাগুলো কতটা উন্নতি করা যায়, ওটা নিয়েই কাজ করেছি। আশা করছি, এটা আমার ম্যাচে কাজে দেবে।’