দুই মাস আগের কথা। জুলিয়ান আলফ্রেডের হাত ধরে অলিম্পিকে প্রথম সোনা জেতে সেন্ট লুসিয়া। এবার তাদের ঘরে প্রথমারের মতো উঠলো ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) শিরোপাও। ফাইনালে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারির্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিপিএলের শিরোপা জিতেছে সেন্ট লুসিয়া কিংস।
প্রভিডেন্ট স্টেডিয়ামে এক পর্যায়ে স্বাগতিকদের আধিপত্যই ফুটে উঠেছিল। ১৩৯ রানের লক্ষ্য দিয়ে ৫১ রানে সেন্ট লুসিয়ার ৪ উইকেট তুলে নিয়েছিল গায়ানা। কিংসের অবস্থাও বলার মতো ছিল না। ৯ ওভার ছিল না কোনও বাউন্ডারি। তার মধ্যে ক্রিজে থাকা রোস্টন চেজ নিজেও অসুস্থ। অ্যারন জোন্সও এমনভাবে ভুগছিলেন, তাকে তুলে নেওয়ার চিন্তা করছিলেন ড্যারেন স্যামি। ঠিক সেই সময়েই দৃশ্যপটে বদল আনেন জোন্স। শুরুতে ১৯ বলে ১০ রান নিয়ে থাকা এই ব্যাটার তার পর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে পরের ১২ বলে তুলেছেন ৩৮! চেজ-জোন্সের বিধ্বংসী জুটিতে তখন গায়ানার জয়ের স্বপ্ন মুহূর্তেই উবে! অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৮৮ রান তুলেছেন দু’জন।
চেজ ২২ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩৯ রানে অপরাজিত থেকেছেন। জোন্স ৩১ বলে শেষ পর্যন্ত ২ চার ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ৪৮ রানে। তাদের ব্যাটে ১৮.১ ওভারেই জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে সেন্ট লুসিয়া কিংস। ম্যাচসেরা রোস্টন চেজ।
গায়ানার হয়ে একটি করে উইকেট নেন রোমারিও শেফার্ড, কেভিন সিনক্লেয়ার, মঈন আলী ও ডোয়াই প্রোটোরিয়াস।
শুরুতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৩৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় গায়ানা। আহামরি ইনিংস ছিল না তেমন। উল্লেখযোগ্য বলতে শাই হোপের ২৪ বলে ৪ চারে ২২ রান। আর শেষ দিকে রোমারিও শেফার্ডের ২ চার ও ১ ছক্কায় ৯ বলে ১৯ এবং প্রিটোরিয়াসের ১২ বলে ২৫ রানের ক্যামিও একটি ইনিংস। যাতে ছিল ২টি চার ও ২টি ছয়।