দক্ষিণ আফ্রিকা দারুণ বোলিং পারফরম্যান্স করে ভারতকে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১২৪ রানে আটকে ফেলেছিল। সহজ লক্ষ্যে নেমে বরুণ চক্রবর্তীর ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রোটিয়ারা। তবে শেষ দিকে ট্রিস্টান স্টাবস ঝড় ও জেরাল্ড কোয়েটজির ক্যামিও ইনিংসে দারুণ প্রত্যাবর্তনে তিন উইকেটে জিতেছে স্বাগতিকরা। চার ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ এ সমতায়।
১২৫ রানের লক্ষ্যে নেমে ১৭ বলে ২২ রানের ওপেনিং জুটি ভেঙে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। তারপর বরুণের দুর্দান্ত বোলিংয়ে একে একে উইকেট হারাতে থাকে তারা।
ষষ্ঠ ওভারে এইডেন মার্করামকে নিজের প্রথম শিকার বানান বরুণ। তারপর টানা তিন ওভারে রিজা হেনড্রিকস, মার্কো ইয়ানসেন, আইনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলারকে আউট করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন ভারতীয় স্পিনার। ১৩তম ওভারে তার বোলিং কোটা শেষ হয় প্রোটিয়াদের ভীষণ চাপে রেখে।
বরুণ চার ওভার বোলিং শেষে ১৭ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন।
এরপর রবি বিষ্ণয় ও হার্দিক পান্ডিয়ার তিন ওভারে মাত্র ২১ রান নিতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা, হারায় আরও একটি উইকেট। ৮৬ রানে সাত উইকেট তুলে নিয়ে ভারত সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছিল।
কিন্তু ১৭তম ওভারে আর্শদীপ সিংয়ের বলে কোয়েটজির ছক্কা ও স্টাবসের চারে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়। আবেশ খানও পরের ওভারে কোয়েটজির কাছে দুটি চার হজম করেন। উল্টো চাপে পড়ে ভারত। ১৯তম ওভারে স্টাবস চারটি বাউন্ডারিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন। তাদের জুটি ছিল ২০ বলে ৪২ রানের। ১৯ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৮ রান করে প্রোটিয়ারা।
স্টাবস ৪১ বলে ৭ চারে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচসেরা হন। ৯ বলে দুটি চার ও এক ছয়ে ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন কোয়েটজি।
এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের সমন্বিত পারফরম্যান্সে ভারত চার ওভারের মধ্যে সাঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবকে হারায়। তিলক ভার্মা ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিলেও ২০ রানের বেশি করতে পারেননি। অক্ষর প্যাটেল ২৭ রান করে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোলিং প্রান্তে রান আউট হন।
শেষ দিকে হার্দিকের অপরাজিত ৩৯ রানের সৌজন্যে ভারত ১২০ রান অতিক্রম করে। তারা হারায় ৬ উইকেট।