মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে শেখার কথা জানালেন মিরাজ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার কারণেই মূলত এই বিপর্যয়। তবে মিডল অর্ডারে একজন ছিলেন ব্যতিক্রম। সবচেয়ে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিন ম্যাচেই দারুণ ব্যাটিং করে অবদান রেখেছেন। যদিও তার সেই লড়াই কাজে লাগেনি। মাহমুদউল্লাহর এমন সংগ্রামী ইনিংস থেকে মেহেদী হাসান মিরাজরা শেখার কথা জানালেন।

বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছক্কার ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন মাহমুদউল্লাহ। তৃতীয় ওয়ানডেতে ৩৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার করেছেন আরও কিছু রেকর্ড। ১০৭ ছক্কা মেরে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ছয়ের রেকর্ড এখন মাহমুদউল্লাহর। এছাড়া শেষ ওয়ানডেতে ষষ্ঠ উইকেটে জাকের আলী অনিকের সঙ্গে ১৫০ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়তে অবদান রেখেছেন, যা ওয়ানডেতে এই উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। তিন ওয়ানডেতে সর্বমোট ১৯৬ রান এসেছে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে।

ম্যাচ শেষে মাহমুদউল্লাহকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মিরাজ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘মাহমুদউল্লাহ ভাই দারুণ খেলেছেন। এই সিরিজে তার তিনটি ফিফটি আমাদের জন্য বড় ইতিবাচক দিক। আমরা তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখি।’

অধিনায়ক হিসেবে টেস্ট সিরিজে ড্র করলেও ওয়ানডে সিরিজে হতাশায় ডুবেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থতার কারণ জানাতে গিয়ে মিরাজ বলেছেন, ‘আমরা বোলিংয়ে আরও ভালো করতে পারতাম এবং মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট নিতে পারিনি- এটাই আমাদের বড় সমস্যা ছিল।’

প্রথম ওয়ানডেতে ২৯৪ রান করেও ৫ উইকেটে হারের কারণ হিসেবেও মিরাজ বলেছিলেন মাঝের ওভারে ভালো বোলিং করতে না পারার কথা। শেষ ওয়ানডেতে ৩২১ রান করে চার উইকেটে হেরেও সেই কথা বললেন তিনি।

সিনিয়র খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে। নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও তাওহীদ হৃদয়ের মতো খেলোয়াড়ের অভাব অনুভূত হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমানও পারিবারিক কারণে ছিলেন না। মিরাজ স্বীকার করেন, ‘চারে ব্যাটিংয়ের দায়িত্ব আমাকেই নিতে হতো। সিনিয়র খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি আমাদের জন্য কঠিন ছিল।’