হ্যামিল্টনে বল হাতে বছরের প্রথম হ্যাটট্রিকের নজির স্থাপন করলেন শ্রীলঙ্কান স্পিনার মাহিশ থিকশানা। তাতেও লাভ হয়নি যদিও। তার হ্যাটট্রিককে ম্লান করে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে লঙ্কানদের ১১৩ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তাতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত হয়েছে কিউইদের।
বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কমে আসে ৩৭ ওভারে। থিকশানা হ্যাটট্রিক করলেও কার্টেল ওভারে টস হেরে ব্যাট করে কিউইরা ৯ উইকেটে তুলে ফেলে ২৫৫ রান। জবাবে ৩০.২ ওভারে ১৪২ রানে শেষ হয়েছে শ্রীলঙ্কার ইনিংস।
প্রথম দুই ম্যাচেই বাজে ব্যাটিংয়ের নজির রাখে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার। সেডন পার্কে ২২ রানে হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট। তাতে ২৫৬ রানের লক্ষ্যে শুরুতেই ছিটকে পড়ে সফরকারী দল। ব্যাট হাতে লড়াই করেছিলেন কামিন্দু মেন্ডিস। ৬৬ বলে ৬৪ রান করেন তিনি। কিন্তু তার একার লড়াই যথেষ্ট ছিল না। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছয়ের মার। তাছাড়া জেনিথ লিয়ানাগের ২২ রান ছিল উল্লেখযোগ্য।
লেজের দিকে দ্রুত উইকেট তুলে নিতে ভূমিকা রাখেন ও’রুর্ক। ৬.২ ওভারে ৩১ রানে নেন ৩ উইকেট। শুরুর দিকে ধস নামাতে অবদান ছিল জ্যাকব ডাফির। ৩০ রানে ২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। ধস নামাতে পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিসের উইকেট নেন তিনি।
তার আগে নিউজিল্যান্ড ইনিংসে বল হাতে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েন লঙ্কান অফস্পিনার থিকশানা। ৩৫তম ওভারে শেষ দুই বলে তুলে নেন মিচেল স্যান্টনার (২০) ও নাথান স্মিথের (০) উইকেট। তার পর শেষ ওভারের প্রথম বলে ম্যাট হেনরির (২) উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূরণ করেছেন।
অথচ তার আগে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তিনশ ছাড়ানোর হুমকি দিচ্ছিল নিউজিল্যান্ড। ওপেনার রাচিন রবীন্দ্র ৬৩ বলে ৭৯ ও মার্ক চ্যাপম্যান ৫২ বলে ৬২ রানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ড ইনিংসের গতিপথ ঠিক করে দিয়েছিলেন। এই জুটি দ্বিতীয় উইকেটে ১১২ রান যোগ করেছিল। চ্যাপম্যানকে তালুবন্দি করে হুমকি হয়ে দাঁড়ানো জুটি ভাঙেন থিকশানা। তার পর ফিরে যান রাচিন রবীন্দ্রও। তাছাড় ড্যারিল মিচেল ৩৮ বলে করেছেন ৩৮ রান। শেষ দিকে অবশ্য দ্রুত উইকেট পড়তে থাকায় যোগ্য সঙ্গ পাননি তিনি।
থিকশানা ৮ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪ উিইকেট শিকার করেছেন। ৩৯ রানে দুটি নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ম্যাচসেরা রাচিন রবীন্দ্র।