সাইমের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো পাকিস্তান

সাইম আইয়ুব করলেন হাফ সেঞ্চুরি। তারপর মোহাম্মদ নওয়াজ ভেঙে দিলেন টপ অর্ডার। সেই ক্ষত বল হাতে আরও বড় করেন সাইম। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে লডারহিলে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪ রানে হারালো পাকিস্তান।

টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৭৮ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে ১৬৪ রান করে। 

বাংলাদেশের গ্যালারি কাঁপানো শাহিবজাদা ফারহান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেননি। দলীয় ২৬ রানে শামার জোসেফের শিকার হন তিনি মাত্র ১৪ রান করে।

চতুর্থ ওভারে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ফখর জামানকে নিয়ে সাইমের ৮১ রানের দুর্দান্ত জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান।

৩৪ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে সাইম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান। আর চার বল খেলে তাকে থামতে হয়। ৫ চার ও ২ ছয়ে ৫৭ রানে জেসন হোল্ডারের শিকার হন তিনি।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফের ৯ বলে ১৬ ও মোহাম্মদ হারিসের এক বলে এক ছক্কায় চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে পাকিস্তান। ফখরের ২৮ ও হাসান নওয়াজের ২৪ রানও ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে শামার ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন।

লক্ষ্যে নেমে জনসন চার্লস ও জুয়েল অ্যান্ড্রুর ওপেনিং জুটি দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল পাকিস্তানকে। ১২তম ওভারে নওয়াজ বল হাতে নিয়ে ধস নামান। ওই ওভারে চার্লস (৩৫) ও জুয়েলকে (৩৫) আউট করার পর গুডাকেশ মোটিকে খালি হাতে ফেরান। বিনা উইকেটে ৭২ রান করা দলের ৭৫ রানে নেই ৩ উইকেট।

সাইমের পরের দুই ওভারে শাই হোপ (২) ও শেরফানে রাদারফোর্ড (১১) মাঠ ছাড়েন। 

১৫তম ওভারে ৯২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলৌকিক কিছু করতে পারেনি।

শেষ দুই ওভারে হোল্ডার ও শামার চার-ছক্কা হাঁকালেও তা কেবল ব্যবধান কমায়। ১২ বলে চার ছক্কায় ৩০ রানে হোল্ডার ও সমান বলে ১ চার ও ২ ছয়ে শামার ২১ রানে অপরাজিত ছিলেন।

নওয়াজ চার ওভারে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। সাইম ২ ওভারে ২০ রান খরচায় নেন দুই উইকেট।

এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান। ম্যাচসেরা হয়েছেন নওয়াজ।