কোয়াব নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা বৃহস্পতিবার, প্রার্থী কারা?

ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন নির্ধারিত হয়েছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার।  

অ্যাডহক কমিটি ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনও গঠন করেছে। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে রাখা হয়েছে ইফতেখার রহমান মিঠুকে। তার সঙ্গে দুই সদস্য হিসেবে আছেন নাসির আহমেদ নাসু ও হাবিবুল বাশার সুমন।

২৮ ও ২৯ আগস্ট চলবে মনোনয়নপত্র জমা, ৩০ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়সীমা। ২ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার ও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং ৪ সেপ্টেম্বর হবে নির্বাচন। 

কোয়াবের অ্যাডহক কমিটির সদস্য এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশীদ রাহুল জানান, কাল মনোনয়নপত্র জমা পড়লেই বোঝা যাবে, কে কোন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  

সভাপতি পদে অ্যাডহক কমিটির প্রেসিডেন্ট সাবেক ক্রিকেটার সেলিম শাহেদ এবং এখনও খেলা চালিয়ে যাওয়া মোহাম্মদ মিঠুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

এদিকে কোয়াবের সভাপতি হওয়া নিয়ে গুঞ্জন আছে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের। সত্যিই কি তিনি সভাপতি হবেন কিনা, সেটা জানা যাবে বৃহস্পতিবার।

এবারের কোয়াব নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক বলে কোনও পদ আর থাকছে না। সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সভাপতি এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন হবে। সদস্য হবেন ৯ জন, এর মধ্যে ১টি পদ সংরক্ষিত নারী ক্রিকেটারদের জন্য।

কোয়াবের সদস্য হওয়ার জন্য নতুন করে ক্যাটাগরি নির্ধারণ করেছে অ্যাডহক কমিটি। প্রথমে রাখা হয়েছে আজীবন সদস্যপদ ক্যাটাগরি। যেখানে জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়রা ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে এই পদ নিতে পারবেন। আর জাতীয় দলের বাইরের খেলোয়াড়দের গুনতে হবে ১ লাখ টাকা। এই ক্যাটাগরিতে যারা থাকবেন, তাদের বাৎসরিক ফি দেওয়া লাগবে না এবং পূর্ণ ভোটের অধিকার দেওয়া হবে। 

দ্বিতীয়ত স্থায়ী সদস্যপদ। ১৯৭২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় দল, প্রথম শ্রেণি, লিস্ট ‘এ’ অথবা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলেছেন এমন ক্রিকেটাররা ৫ হাজার টাকা দিয়ে এই পদ নিতে পারবেন। এই ক্যাটাগরির সদস্যদের বাৎসরিক ফি দেওয়া লাগবে। এর বাইরে রয়েছে সহযোগী সদস্যপদ। এই ক্যাটাগরির জন্য ২ হাজার টাকা ফি ও বাৎসরিক ফি ১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই সদস্যরা ভোটের অধিকার পাবেন না।