অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস

অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রত্যাবর্তনটা দারুণভাবেই রাঙিয়েছেন কুশল মেন্ডিস। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ৪১ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

শুরুতে টস হেরে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৩০৩  রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় লঙ্কান দল। সেখানে ৬২ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলেছেন মেন্ডিস। ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কাও করেছেন ১০৩ বলে ৭৯ রান। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে কেবল অধিনায়ক শাই হোপই লড়াকু ব্যাটিংয়ে পঞ্চাশ পার করতে পেরেছেন। 

শুরুতে লঙ্কানদের দিশা দেখানো নিসাঙ্কাকে ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। লঙ্কান ওপেনার ক্যাচ তুলে দিলেও সেটি ফেলে দেন কেসি কার্টি। 

২২ রানে কামিন্দুর বিদায়ের পর মেন্ডিস ও নিসাঙ্কা মিলে বড় জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কাকে শক্ত ভিত এনে দেন। দলীয় ১৪৫ রানে গিয়ে ভাঙে সেই জুটি। ম্যাথিউ ফোর্ডের বলে টপ-এজ হয়ে ফেরেন মেন্ডিস। পরে নিসাঙ্কাও ৭৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। শেষ ১০ ওভারে যাওয়ার আগে শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ২১৮। সেখান থেকে চারিথ আসালাঙ্কার ৪৫ ও জেনিথ লিয়ানাগের অপরাজিত ৪৪ রানে ভর করে ৩০৩ রানের সংগ্রহ পায় সফরকারীরা।

৩০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জন ক্যাম্পবেল ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকান। জাস্টিন গ্রিভসও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। মাত্র ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫০ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা।

তার পর একটি রানআউট ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর মাহিশ থিকশানা গ্রিভসের (৪৫) সম্ভাবনাময় ইনিংসের ইতি ঘটান। শাই হোপ ও কার্টি কিছুক্ষণ প্রতিরোধ গড়লেও কার্টির (২৭) বিদায়ে আবার চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেরফানে রাদারফোর্ডকেও ফেরান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। অন্যদিকে হোপ লড়াকু ব্যাটিংয়ে ফিফটি পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তার বিদায়ের সময় দলের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ১৬৭ রান।

এরপর রোস্টন চেজ ও মোটি কিছুটা লড়াই করলেও অল্প ব্যবধানে তাদের বিদায়ে শেষ হয়ে যায় স্বাগতিকদের আশা। ৪৯.২ ওভারে ২৬২ রানে শেষ হয় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। 

দুশমন্থ চামিরা ৬৭ রানে নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। ২৬ রানে দুটি নেন মাহিশ থিকশানা। একটি করে নিয়েছেন আসিথা ফার্নান্ডো, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও চারিথ আসালাঙ্কা।