অস্ট্রেলিয়ার ভয়ংকর পেস আক্রমণ। প্রতিপক্ষের দলে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডের মতো বোলার। এমন পরিস্থিতিতে নিজের স্বাভাবিক আগ্রাসী ব্যাটিংকে এক পাশে সরিয়ে রেখে ধৈর্য, সংযম আর বলের মেরিট বুঝে ইতিহাস গড়েছেন তানজিদ হাসান। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দিয়েছেন। তাতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হয়েছেন তিনি।
তার ১৮৮ বলের ধৈর্যশীল ইনিংসের ওপর ভর করেই শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৩৫১ রানে পৌঁছেছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশের লিড এখন ১৫৩ রান।
২৫ বছর বয়সী তানজিদ মূলত সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কিন্তু ডারউইনে তাকে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক রূপে। অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসারদের একের পর এক কঠিন বল সামলে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিলেন তিনি।
ঐতিহাসিক সেঞ্চুরির পর তানজিদের বক্তব্যে ছিল না কোনো বাড়তি উচ্ছ্বাস, বরং ছিল নিজের পরিকল্পনায় অটুট থাকার গল্প।
ম্যাচের পর তিনি বলেছেন, ‘আমি চেষ্টা করছিলাম দলের যে প্রয়োজন, ওই অনুযায়ী খেলতে। উইকেট ভালো ছিল, আর ওরা আমাকে ভিন্নভাবে আক্রমণ করছিল। তাই আমি স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেছি এবং নিজেকে শান্ত রেখেছি।’
এরপরই তিনি জানান তার ব্যাটিংয়ের মূলমন্ত্র, ‘আমি শুধু বলের দিকে নজর রেখেছি এবং বলের মেরিট অনুযায়ী খেলেছি। বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি।’