দুই দিনে বাংলাদেশের পরাজয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে কী পরিবর্তন হলো?

ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ঐতিহাসিক হারের পর ম্যাকাইতে যেন প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে উঠে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৫১ রানে উড়িয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে। আর এই জয়ের ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া।

বল হাতে ম্যাচে তাণ্ডব চালিয়েছেন পেসার মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামান তিনি। 

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রানে অলআউট হয়েছৈ। অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র ইনিংসে করা ২১০ রানই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র দুই দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় টেস্ট।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ে তাদের পয়েন্ট শতাংশ বেড়ে ৮০ হয়েছে। ১০ ম্যাচে ৮ জয়ে তারা টেবিলের শীর্ষে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৫ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। চার ম্যাচে তিন জয় পেয়েছে তারা। নিউজিল্যান্ড ছয় ম্যাচে মাত্র একবার হেরে ৭২.২২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়।

ম্যাকাইতে বড় ব্যবধানে হারলেও ৫৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ অবস্থানেই রয়েছে বাংলাদেশ। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর বাংলাদেশের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ভারত গল টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পর ৫৩.৩৩ শতাংশ নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

শ্রীলঙ্কা রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে, তাদের পয়েন্ট ৩৩.৩৩ শতাংশ। ইংল্যান্ড ১৪টি ম্যাচ খেলেছে। যা টেবিলের দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। তারা ২৯.৭৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম। ধীর গতির ওভার রেটের কারণে ইংল্যান্ডের ১৪ পয়েন্ট কাটায় তাদের অবস্থান আরও দুর্বল হয়েছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানেরও দুঃসময় চলছে। হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ইনিংস ও ১০৩ রানে হারের পর পাকিস্তান নেমে গেছে টেবিলের একেবারে তলানিতে। তাদের পয়েন্ট শতাংশ এখন মাত্র ১৯.০৫।

পাকিস্তানের ওপরে অষ্টম স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের পয়েন্ট ২০.৮৩ শতাংশ। ১২ ম্যাচে মাত্র দুই জয় পেয়েছে তারা, হেরেছে আটটি। ওভার-রেটের কারণে তাদেরও দুই পয়েন্ট কাটা গেছে।