দুবাইয়ে গেলে খালি পায়ে কেন হাঁটেন এবাদত? 

সংযুক্ত আরব আমিরাতেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। সেখানে বাংলাদেশের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ মরুর বুকের গরম। বিশেষ করে পেসারদের জন্য তা আরও বেশি কঠিন। টেস্টকে সামনে রেখে সেই গরমেই নিজেদের প্রস্তুত করছেন বাংলাদেশের পেসাররা। 

পেসার এবাদত হোসেন জানিয়েছেন, ঠিক কোন কৌশলে তিনি এই কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন। বিসিবির ভিডিওতে এবাদত বলেছেন, ম্যাচের অন্তত দুই দিন আগে থেকেই শরীরে পর্যাপ্ত পানি ও তরল ধরে রাখার দিকে নজর দিচ্ছেন তিনি। এবাদত বলেন, ‘দুবাই, আরব আমিরাতে আসলে অনেক গরম থাকে। তাই আমি কী করি, ম্যাচের দুই দিন আগে থেকে প্রস্তুতি থাকে হাইড্রেটেড থাকা, বেশি বেশি করে পানি, ফ্লুইড নেওয়া, ডাবের পানি বা ফ্রুটস খাওয়া।’

গরমের কারণে দীর্ঘ সময় বোলিং করা কঠিন বলে মনে করেন এবাদত। তাই কন্ডিশনের সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়াকে বড় প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন তিনি। তার ভাষায়, ‘গরমে লম্বা সময় ধরে বোলিং করা যায় না। এটা আসলে একটা প্রস্তুতির ব্যাপার যে এই গরমে নিজেকে কেমনে তৈরি করবো। তাই আমার ম্যাচ প্রিপারেশন দুই দিন আগে থেকে শুরু হয়, বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচ আর এরকম কন্ডিশনে।’

এবাদতের মতে, বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ে আসার আগে আবহাওয়া, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সম্পর্কে ধারণা থাকলে প্রস্তুতিটা ভালোভাবে নেওয়া সম্ভব। এবাদত বলেন, ‘যারা তরুণ এখানে আসবে, আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ টিম আসবে, অনেক সময় ইমার্জিং টিম আসবে, আমার কাছে মনে হয় সবচেয়ে ভালো হবে যে আগে থেকে জেনে নেওয়া এখানে কন্ডিশন কেমন। এখানে আমি শুনেছি জুন-জুলাইয়ের দিকে ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিট করে। এটা অনেক। বিশেষ করে আমাদের দেশ থেকে যারা আসবে তাদের জন্য অনেক গরম এখানে। তাই কন্ডিশনটা জেনে নেওয়া, হিউমিডিটি কেমন বা গরম কেমন এখানে।’

দুবাইয়ে পৌঁছানোর পর পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে নিজের একটি ব্যতিক্রমী অভ্যাসের কথাও জানিয়েছেন এবাদত। প্রথম অনুশীলনের দিন খালি পায়ে মাঠে হাঁটার কথা উল্লেখ করেন তিনি, ‘এখানে আসার পরে আমি যেটা করি, প্রথম প্র্যাকটিসের দিন যখন আসি, তখন খালি পায়ে এক ঘণ্টা এই গ্রাউন্ডের সাথে থাকা। তাতে এখানকার সাথে যে হিউম্যান বডির কানেকশন, ইলেকট্রিসিটি কানেকশন যেটা থাকে, এটা খুব ভালো হয়, এই পরিবেশের সাথে শরীর তাড়াতাড়ি মানিয়ে যায়।’