একমাত্র টেস্টের শেষ সেশনে পথের কাঁটা হয়েছিলেন সেদিকুল্লাহ অটল। তার উইকেট পতনের পর জয়ের জন্য আর ৩ উইকেট প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু বাজে ফিল্ডিংয়ের খেসারত দিতে হয়েছে শেষ পর্যন্ত। বাংলাদেশ নিতে পেরেছে আর একটি উইকেট। ৮ উইকেট হারিয়েও আফগানদের লোয়ার অর্ডার দারুণ প্রতিরোধে আদায় করে নিয়েছে জয়ের সমান স্মরণীয় এক ড্র। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানিস্তান ৮ উইকেটে করেছে ৩৪৬ রান।
যে কায়েস আহমেদ শেষ দিকে প্রতিরোধ গড়ে খেলেছেন। তিনি ৮ ওভার বাকি থাকতে ক্যাচ দিয়েছিলেন। কিন্তু হাসান মাহমুদ তা হাতে জমাতে পারেননি। এর আগে দুটি রানআউটও মিস করে বাংলাদেশ।
৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে শেষ দিনের শুরু করেছিল আফগান দল। সেখান থেকে ১৪২ ওভার লড়াই করেছে তারা। প্রায় তিন সেশন প্রান্ত আগলে খেলেছেন সেদিকুল্লাহ অটল। সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করেছেন তিনি। শেষ সেশনে তাইজুলের শিকার হওয়ার আগে ৩৩২ বল খেলে ১১১ রান করেছেন। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিয়েছেন হাশমতউল্লাহ শহীদি (৩৬), ইকরাম আলিখিল (৩৩) ও ইসমত আলম (৪)। কিন্তু শেষ সেশনে অটল ফিরে যেতেই আফগানিস্তানের লড়াই কার্যত শেষ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছিল। তার পর প্রান্ত আগলে খেলতে থাকা ইয়ামিন আহমদজাইকে মিরাজ আউট করলে শেষটা রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে। কিন্তু অষ্টম উইকেট পতনের পরও লড়াই অব্যাহত রাখেন কায়েস আহমেদ। জিয়া উর রহমানকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকেন তিনি। বাংলাদেশের বাজে ফিল্ডিংয়ে জীবন পাওয়া কায়েস শেষ পর্যন্ত ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০ রানে ৩ উইকেট নেন এবাদত হোসেন। ৭৩ রানে ৩টি নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। একটি করে নেন হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম।