ফাইনালে যেতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশকে যা করতে হবে

৯৯ রানের বড় হার দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সেই ধাক্কা সামলে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে বুধবার শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের। তবে শুধু জিতলেই চলবে না, ফাইনালে ওঠার পথ তৈরি করতে রান ও ওভারের কঠিন হিসাবও মেলাতে হবে।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের কারণে নেট রান রেটে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবারের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আপাতত তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী জিম্বাবুয়ে। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের ব্যবধান কিংবা রান তাড়া করতে কত ওভারের মধ্যে লক্ষ্য পূরণ করবে, তার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের ভাগ্য।

বাংলাদেশ আগে ব্যাট করলে

বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে ২৩৫ বা তার কম রান করলে আফগানিস্তানকে অন্তত ৪১ রানে হারাতে হবে। আর ২৩৬ বা তার বেশি রান করতে পারলে ৪০ রানের জয়ই যথেষ্ট হবে। এক্ষেত্রে টুর্নামেন্টে মোট রান করার হারে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের।

বাংলাদেশ পরে ব্যাট করলে

আফগানিস্তান আগে ব্যাট করে ২০০ রান করলে বাংলাদেশকে ৪০.৩ ওভারের মধ্যে লক্ষ্য ছুঁতে হবে। ম্যাচের স্কোর সমান হওয়ার পর বাউন্ডারি মেরে জিতলে ৪১.১ ওভারের মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে।

আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২৫০ হলে বাংলাদেশকে জিততে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে। স্কোর সমান হওয়ার পর বাউন্ডারিতে জয় এলে সেই সময়সীমা হবে ৪২.১ ওভার।

আর আফগানিস্তান ৩০০ রান করলে বাংলাদেশকে ৪২.২ ওভারের মধ্যে লক্ষ্য পূরণ করতে হবে। স্কোর সমান হওয়ার পর বাউন্ডারিতে জিতলে ৪৩ ওভারের মধ্যে ম্যাচ শেষ করতে হবে।

অন্যদিকে, +৩.১৬০ নেট রান রেট নিয়ে ফাইনালে ওঠার দৌড়ে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। তাদের বড় ব্যবধানে হারাতে না পারলে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সমীকরণ বদলাবে না। আফগানিস্তান অন্তত ১২৯ রানে হারলে কিংবা প্রায় ১৬.৫ ওভারের মধ্যে অলআউট হয়ে গেলে বাংলাদেশের সামনে ফাইনালে ওঠার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আফগানিস্তান জিতলে তাদের সঙ্গে ফাইনালে উঠবে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ জিতলেও প্রয়োজনীয় ব্যবধান অর্জন করতে না পারলে একই পরিণতি হতে পারে।