এক যুগ পর কোপার সেমিফাইনালে কলম্বিয়া

শেষবারের মতো কলম্বিয়া কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে খেলেছিল এক যুগ আগে, ২০০৪ সালে। গত দুই আসরেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। আজ সকালে খেলা টাইব্রেকারে গড়ানোর পর হয়তো বিদায়ের আশঙ্কাই ভর করেছিল কলম্বিয়া সমর্থকদের মনে। তবে পেরুর বিপেক্ষ আর হতাশ হতে হয়নি তাদের। টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানের জয় দিয়ে সেমিফাইনালে চলে গেছে কলম্বিয়া।356B610600000578-0-image-a-16_1466217813202

টাইব্রেকার শুরুর আগে শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত এক সেভে কলম্বিয়াকে বাঁচান দাভিদ অসপিনা। পেনাল্টি শুট আউটেও একটি শট ঠেকিয়ে দিলেন আর্সেনালের এই গোলরক্ষক। মূলত তার নৈপুণ্যে ভর করেই কোপার সেমিতে গিয়েছে কলম্বিয়া।

ইস্ট রাদারফোর্ডে শুরু হওয়া ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর সরাসরি খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ভাগ্যের ফেরে গোল পাননি কলম্বিয়ার অধিনায়ক রদ্রিগেস। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা মিডফিল্ডারের জোড়ালো শট ডান পোস্টে লেগে ফিরে। ফিরতি বল জালে জড়াতে পারেননি কার্লোস বাক্কা। ম্যাচের শেষ দিকে পেরুর ক্রিস্তিয়ান কুয়েভার কর্নার থেকে ক্রিস্তিয়ান রামোসের হেড লাফিয়ে উঠে আঙুলের ছোঁয়ায় ক্রসবারে উপর দিয়ে পাঠিয়েদেন অসপিনা।

কোপা আমেরিকার এই বিশেষ আসরে অতিরিক্ত সময়ের খেলা রাখা হয়নি। টাইব্রেকারে প্রথম শটে ডান প্রান্ত দিয়ে গোল করেন রদ্রিগেস। রাউল রুইদিয়াস সমতা ফেরান বাঁ কোনা দিয়ে জোড়ালো শটে।দ্বিতীয় শটে গোলরক্ষককে উল্টো দিকে পাঠিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় নিচু শটে ডান দিক দিয়ে গোল করেন কুয়াদরাদো। লক্ষ্যভেদ করেন পেরুর তাপিয়াও। পরের শটে কলম্বিয়ার দাইরো মরেনো ঠিক মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠান। গোলরক্ষক না নড়লেই ঠেকাতে পারতেন। তবে পেরুর মিগেল ত্রাউকোর মাঝ বরাবর শট ঠিকই ঠেকিয়ে দেন অসপিনা।356B58EE00000578-0-image-a-14_1466217626791

সেবাস্তিয়ান পেরেস গোল করলে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। কুয়েভার গোল করতেই হতো পেরুকে টিকিয়ে রাখতে হলে। চাপ সামলাতে না পেরে বাইরে মেরে দেন তিনি। ফলে ২০০৪ সালের পর প্রথমবার কোপা আমেরিকার শেষ চারে উঠে যায় কলম্বিয়া।

অন্যদিকে কোপা আমেরিকার গত দুই আসরে শেষ চারের লড়াইয়ে অংশ নিলেও এবার কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পেরুকে। সেমিফাইনালে কলম্বিয়াকে খেলতে হবে মেক্সিকো ও চিলির মধ্যকার ম্যাচে জয়ী দলের বিপক্ষে।

/এমআর/