পেনাল্টি ভাগ্যে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে রবার্ট লেভানডফস্কির পোল্যান্ড। এদিন নির্ধারিত সময়ে খেলা ১-১ গোলে ড্র হয়। অতিরিক্তি সময়েও খেলার মিমাংসা না হলে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শ্যুট-আউটে। সেখানে সুইসদের হয়ে একটি পেনাল্টি মিস করেন গ্রানিত ঝাকা। ফলে শেষ পর্যন্ত ৫-৪ (১-১) গোলে ম্যাচ জিতে নেয় পোলিশরা।
এদিন খেলার ২ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো পোল্যান্ড। গোলপোস্টের ২০ গজ দূর থেকে শট নিয়েছিলেন মিলিক। কিন্তু তার লক্ষ্যভ্রষ্ট শটটি গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। ২৯ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ নষ্ট করেন পোলিশ মিডফিল্ডার ক্রুকোভিয়াক। কামিল গ্রোসিচকির কর্নার থেকে থেকে দারুণ এক ক্রস পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মাপমতো হেড করে বল জালে জড়াতে পারেননি তিনি। হেডটি চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ৩৫ মিনিটে গোল পেতে পারতো সুইসরাও। তবে সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেননি স্কার।
অবশেষে ৩৯ মিনিটে পোল্যান্ডকে এগিয়ে দেন জ্যাকব ব্লাসচেকভস্কি। কামিল গ্রোসিচকির পাস থেকে দুর্দান্ত গোলটি করেন তিনি। ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় পোল্যান্ড।
৫৯ মিনিটে আবারও গোলের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলে পোল্যান্ড। কামিল গ্রোসিচকির শক্তিশালী শট ঠেকিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সমার। ৫২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ করে সুইসরা। কিন্তু জেরদান শাকিরির প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন সোয়ানসিতে খেলা পোলিশ গোলরক্ষক ফ্যাবিয়ানিস্কি। ৫৪ মিনিটে আবারও সুইসদের বাঁচিয়ে দেন ইয়ান সমার।
অবশেষে ৮২ মিনিটে সমতায় ফেলে সুইজারল্যান্ড। দুর্দান্ত একটি বাই-সাইকেল কিকে সুইসদের সমতায় ফেরান শাকিরি। এ পর্যন্ত ইউরোর সবচেয়ে চোখ ধাঁধানো গোলটি করেন তিনি! পেনাল্টি বক্সের ভেতর দারুণ এক ক্রস পেয়েছিলেন তিনি। দুর্দান্ত দক্ষতায় বাই-সাইকেল কিকে সেটি জালে জড়ান শাকিরি।
পরে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় খেলা। সেখানেও কোনও গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। সেখানেই সর্বনাশ হয় সুইসদের। সুইজারল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় পেনাল্টি গোলটি মিস করে ঝাকা। তাতেই সর্বনাশ হয় সুইসদের। শেষ পর্যন্ত ৫-৪ গোলে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টারে উঠে পোল্যান্ড।
/এমআর/