শুক্রবার রাতে খেলার ১৩ মিনিটে রাদিয়া নাইনগোলানের অসাধারণ নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে আচমকা বিদ্যুৎ গতির শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এএস রোমার এই মিডফিল্ডার।
২৬তম মিনিটে সমতায় ফিরতে পারতো ওয়েলস; কিন্তু পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে মিডফিল্ডার নেইল টেইলরের নেওয়া জোরালো শট ঝাঁপিয়ে এক হাত দিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক থিবো করতোয়া।
এর পাঁচ মিনিট বাদেই কাঙ্ক্ষিত সমতাসূচক গোল পেয়ে যায় ওয়েলস। অ্যারন র্যামসের কর্নার ছয় গজ দূরে পেয়ে হেডে বল জালে জড়ান অরক্ষিত উইলিয়ামস। বিরতির খানিক আগে আবারও হেডে বল জালে জড়ানোর সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি; কিন্তু এ যাত্রায় ক্রসবারের উপর দিয়ে বল উড়িয়ে মারেন সোয়ানসি সিটির এই ডিফেন্ডার।
৫৫তম মিনিটে অসাধারণ নৈপুণ্যে ওয়েলসকে এগিয়ে নেন কানু। র্যামসের লম্বা ক্রস পেনাল্টি স্পটের কাছে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দুপাশে থাকা প্রতিপক্ষের দুজনের মধ্যে দিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে বাঁ-পায়ের শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই ফরোয়ার্ড।
৮৫তম মিনিটে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন ভোকস। লেখা হয়ে যায় প্রথমবার ইউরোপের সেরা ফুটবল প্রতিযোগিতায় এসেই সেমিফাইনালে ওঠার ইতিহাস। আগামী বুধবার লিওঁতে প্রথম সেমিফাইনালে পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ওয়েলস।
/এমআর/