বিপিএলকে আধুনিক ধারায় উপস্থাপন করে দেশব্যাপী ফুটবলের নতুন জোয়ার আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ফুটবল ব্যক্তিত্বরা। গতানুগতিকার মোড়ক ভেঙে ফুটবলকে নতুনভাবে দর্শকদের কাছে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াসে আগাগোড়া ঠাসা ছিল অনুষ্ঠানটি।
বিপিএল-এর ট্রফি উপস্থাপন করা হয়েছে এর ১২ টি দলের অধিনায়কদের দিয়ে। স্যুট পড়া অধিনায়করা র্যাম্পে হেঁটেছেন মডেলদের সঙ্গে। এর আগে ১২টি দলের পতাকা ও জার্সি পড়ে দর্শকদের কাছে উপস্থিত হন মডেলরা; পরিচিত করেছেন ক্লাবগুলোকে। সুরের মূর্ছনায় লেজারের নয়নাভিরাম বর্ণিল রংয়ে একের পর এক সৃষ্টি হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন আবহ। যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ফুটবল। এলইডি স্ক্রিন বা পোস্টার যাই নজরে আসুক না কেনও তা ছিল ফুটবলকে ঘিরেই।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথির সবারই কণ্ঠে ফুটে উঠেছিল ফুটবলের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার প্রত্যয়। অনুষ্ঠানে ফুটবলকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে ফেডারেশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বলেছেন, ‘বাফুফে ফুটবলকে আবার সেই আগের অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে তাদের শুভেচ্ছা জানাই। ফুটবল বাঙালির প্রাণের খেলা তা অনেক পেছনে পড়ে গেছে। ফুটবলের যে জনপ্রিয়তা ছিল,আমরা ফুটবলকে সেই আগের অবস্থানে নিয়ে যাবো। বিশেষ করে ফুটবলকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ফুটবলের নতুন এই উদ্যোগে রোমাঞ্চিত বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন। ফুটবল উন্নয়নে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো ফুটবল আয়োজন করা। এজন্য আমরা অনেক সহায়তা পাচ্ছি স্পন্সরদের কাছ থেকে। আমার মনে হয় না আমরা ফুটবলে এমন উৎসব দেখেছি। আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি ফুটবল কেনও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেতে পারবে না? আমি যদি খেলতে পারি বিদেশে, আমার ফুটবলাররা কেনও পারবে না? কাবগুলোকে আমি একটি কথা বলি- আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন। ফুটবলে কাজ করা অনেক কঠিন। ফুটবলের উন্নয়নের জন্য সবার সাহায্য প্রয়োজন।’
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জজ ভূঁইয়া গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল হক।
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন।
/আরএম/এফআইআর/