প্রথমার্ধে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল পুরান ঢাকার দল রহমতগঞ্জ। খেলা শেষের ৯ মিনিট আগে সমতা এনে মান বাঁচায় মোহামেডান।
যদিও সতর্ক সূচনা করেছিল দুই দলই; বাড়তি কোনও ঝুঁকিতে না গিয়ে প্রতিপক্ষকে বুঝে খেলার কৌশল অবলম্বন করে খেলে মোহামেডান ও রহমতগঞ্জ। তবে অপেক্ষাকৃত তরুণ খেলোয়াড় সমৃদ্ধ রহমতগঞ্জ মাঝমাঠে প্রাধান্য বিস্তার করে মূলত তাদের গতির জন্য। মোহামেডান ধীরে ধীরে বেছে নেয় পাল্টা আক্রমণের কৌশল। খেলার ১৭ মিনিটে মাঠের ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান রহমতগঞ্জ মিডফিল্ডার মাহবুব হাসনা নয়ন। করেন নিখুঁত একটি ক্রস, কঙ্গোলিজ ফরোয়ার্ড সিয়ো জুনাপিয়োর পায়ের কাজ এমনিতেই ভালো; তার আরেকটি নিদর্শন রেখে মাপা একটি সাইড ভলিতে তিনি বল জড়িয়ে দেন মোহামেডানের জালে। গোলরক্ষক নেহাল কোনও প্রতিক্রিয়া দেখানোর সুযোগ পাননি, গতিতে পরাস্ত হন তিনি।
তবে মোহামেডান গোল হজম করার পর সমতা আনার জোর প্রচেষ্টা চালায়। ২৫ ও ২৬ মিনিটে পরপর দুটি আক্রমণ শানায় ঐতিহ্যবাহী সাদা কালো শিবির। প্রথমটিতে ফরোয়ার্ড আমিনুর রহমান সজিব বল তুলে দেন রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক সামিউল ইসলাম মাসুমের হাতে ও দ্বিতীয়টিতে গিনিয়ান ফরোয়ার্ড ইসমাইল বাঙ্গুরা বল মারেন ক্রস পোস্টের ওপরে। বিরতির পর আবারও ব্যর্থ হন বাঙ্গুরা, ৫৩ মিনিটে একক প্রচেষ্টায় প্রতিপক্ষ বক্সে ঢুকে তিনি নেন কোনাকুনি একটি শট। মাসুম ঝাঁপিয়ে পড়ে বল আটকে দেন। আর এ যাত্রায় বেঁচে যায় রহমতগঞ্জ।
মোহামেডান তাদের সমতাসূচক গোলের লক্ষ্য অর্জন করে ৮১ মিনিটে, রহমতগঞ্জ অধিনায়ক শওকত রাসেল বক্সের ভেতরে হ্যান্ডবল করলে তাতে পেনাল্টি পায় মোহামেডান। আর তাতেই স্পট কিকে গোল করতে ভুল করেননি ইসমাইল বাঙ্গুরা।
/আরএম/এফআইআর/