এদিন খেলার ১৮ মিনিটে রহমতগঞ্জ ডিফেন্স ভেদ করেছিলেন হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড ওয়েডসন এনসেলমে। গতরাতে ঢাকায় এসে আজ সকালে চট্টগ্রামে উড়ে গিয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে পড়েন ওয়েডসন। বক্সের মধ্যে কিছুক্ষণ বল নিয়ন্ত্রণে রেখে তিনি বল ঠেলে দেন মিডফিল্ডার আনিসুল আলম সুইটের কাছে। সুইট বলের লাইন মিস করলে নিশ্চিত গোল বঞ্চিত হয় জামাল।
তবে ৩০ মিনিটে নিজের যথার্থতা প্রমাণ করে দলকে এগিয়ে দেন ওয়েডসন, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস দিয়েছিলেন গাম্বিয়ান মিডফিল্ডার ল্যান্ডিং ডারবো। ওয়েডসন পায়ের কারুকাজে তার মার্কার ও আগুয়ান গোলরক্ষক সামিউল ইসলাম মাসুমকে কাটিয়ে বল ঠেলে দেন ফাঁকা পোস্টে।
বিরতির পর আক্রমণ অব্যাহত রাখে জামাল এবং ৫৬ মিনিটে ওয়েডসন দলকে দ্বিতীয় গোল উপহার দিতে ব্যর্থ হন। আক্রমণের পর্যায়ে ল্যান্ডিংয়ের ক্রস উড়ে এসে পড়েছিল রহমতগঞ্জের ছোট বক্সের ওপরে কিন্তু বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন ওয়েডসন।
এ সময় খেলার ধারার বিপরীতে সমতা আনে রহমতগঞ্জ, ৫৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা একটি লং বল নিজেদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝিতে ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন ডিফেন্ডার লিংকন ও আশরাফুল। তৎপর কঙ্গোলিজ ফরোয়ার্ড সিয়ো জুনাপিয়ো বল আয়ত্ত্বে নিয়ে বাঁ পায়ের শটে পরাস্ত করেন জামাল গোলরক্ষক মোশতাককে।
জয়ের নেশায় আক্রমণ জোরদার করে শেখ জামাল তবে লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি তারা। ৮৭ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এমেকা ডারলিংটন। দর্শণীয়ভাবে কর্নারের বিনিময়ে দলকে রক্ষা করেন মাসুম।
এ ড্রয়ের ফলে তিন খেলা শেষে জামালের সংগ্রহ পাঁচ পয়েন্ট, রহমতগঞ্জেরও সংগ্রহ পাঁচ।
/আরএ/এফআইআর/