চট্টগ্রামের সঙ্গে ময়মনসিংহের পার্থক্য হবে দলগুলোর আবাসন। চট্টগ্রামে চলতি বিপিএল-এর ১২টি দলের সবগুলো একসঙ্গে বন্দর নগরীতে অবস্থান করেছে। কিন্ত ময়মনসিংহ রাজধানীর কাছে হওয়াতে দলগুলোর অধিকাংশই সেখানে ম্যাচের আগের দিন সকালে যেতে আগ্রহী। দুপুরে পৌঁছে ম্যাচের আগের দিনের বিকেলের হালকা অনুশীলন সেরে পরের দিন ম্যাচ খেলতে আগ্রহী অধিকাংশ দলই। তবে চট্টগ্রাম আবাহনী তাদের খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ময়মনসিংহেই থাকতে চেয়েছে। চট্টগ্রাম আবাহনী প্রথম দিনে খেলার পর ১৪ তারিখ খেলবে উত্তর বারিধারা ক্লাবের বিপক্ষে।
ময়মনসিংহের বড় হোটেলগুলির মধ্যে হোটেল মুস্তাফিজ, হোটেল আমির ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল ক্যাসেলকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচত করেছে বাফুফে। হোটেলগুলোতে ফুটবল দলগুলোর সুবিধা-অসুবিধা যাচাই বাছাই করার জন্য বাফুফে কর্মকর্তা আহসান আহমেদ অমিত অবস্থান করছেন ময়মনসিংহে। তিনি বলেন, 'আশা করি দলগুলোর কোনও অসুবিধা হবে না। বাফুফে তিনটি অনুশীলন মাঠও নির্বাচিত করেছে। মাঠগুলো হলো ময়মনসিংহ সেনানিবাস মাঠ, বাংলাদেশ পুলিশের মাঠ ও বিজিবির মাঠ।'
ময়মনসিংহ স্টেডিয়ামের মাঠটি বড় হলেও গ্যালারিতে দর্শক ধারণ ক্ষমতা ১২ হাজার,। গ্যালারিতে সংস্কার কাজ চলছে। মাঠ তৈরির জন্যও নিজেদের গ্রাউন্ড স্টাফ পাঠিয়েছে বাফুফে।
/আরএম/এমআর/