আক্রমণাত্মক সূচনার সুফল খেলার ১৯ মিনিটে তুলে নিয়েছিল উত্তর বারিধারা। ডানপ্রান্ত দিয়ে ওপরে উঠে মাপা ক্রস করিেছলেন খালেকুজ্জামান সবুজ। বক্সের মাঝামাঝি জায়গা থেকে হেড করে আরামবাগ গোলরক্ষক মিতুল হাসানকে পরাস্ত করেন মিডফিল্ডার সেন্টু চন্দ্র সেন।
তবে বারিধারার আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সাত মিনিট স্থায়ী ছিল তাদের অগ্রগামিতা। সমতা আনেন আরামবাগের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড কেস্টার একন। বক্সের বাম প্রান্ত থেকে কোনাকুনি ফ্রি-কিকে দূরের জালে বল জড়ান কেস্টার।
দ্বিতীয়ার্ধে আরামবাগ আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় নস্ট হয়ে বেশ কটি গোলের সুযোগ। ৬৯ মিনিটে সম্মিলিত আক্রমণের পর মিডর্ফিডার জাফর ইকবাল বক্সের মাঝ থেকে শট নিয়েছিলেন। কিন্তু তা সাইডপোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। তবে ৮১ মিনিটে ম্যাচে দ্বিতীয় গোল করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দেন কেস্টার। মাঝমাঠ থেকে একটি থ্রু পাস আয়ত্বে নিয়ে একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তিনি কোনাকুনি শটে করেন দলের দ্বিতীয় গোলটি। শেষ পর্যন্ত এটি হয়ে দাঁড়ায় জয়সূচক গোল।
তিন খেলায় আরামবাগের পয়েন্ট চার, সমান খেলায় বারিধারার পয়েন্ট তিন।
/আরএম/এমআর/