টানা চার ম্যাচ হারলো শেখ রাসেল

বিপিএল-এ চার স্তরের নিরাপত্তাজেবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে টানা চতুর্থ হারের মুখ দেখলো শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। উত্তর বারিধারার বিপক্ষে হার দিয়ে শুরু। এরপর রহমতগঞ্জ-চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে হারে মারুফুল হকের শিষ্যরা। আজ ময়মনসিংহে রফিক উদ্দিন স্টেডিয়ামে সকার ক্লাব ফেনীর বিরুদ্ধে ২-০ গোলে হেরে ব্যর্থতার ষোলোকলা প‌‌ূর্ণ করলো গতবারের রানার্স-আপ শেখ রাসেল। ফেনীর হয়ে গোল দুটো করেছেন টুয়াম ফ্রাংক ও চমরিন রাখাইন।

খেলার শুরুতে একটি সংঘবদ্ধ আক্রমণের পর বক্সের ওপর থেকে মিডফিল্ডার জামাল ভূঁইয়ার জোরালো শট ক্রসপিসে লেগে ফেরত আসার পর থেকেই শুরু হয় রাসেলের শনির দশা। গোল তাদের জন্য হয়ে দাঁড়ায় সোনার হরিণ। আক্রমনের পর আক্রমণ পরও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি তারা। ৩৩ মিনিটে রাইট ব্যাক নাসিরুল ইসলামের ক্রসে ফরোয়ার্ড রুম্মান আহমেদ বল পেয়েছিলেন সুবিধাজনক অবস্থানে কিন্তু তিনি বল ঠিকমতো হেড করতে পারেনি।

এর পরের মিনিটেই একটি কাউন্টার অ্যাটাকে এগিয়ে যায় সকার ক্লাব ফেনী। দ্রুত গতিতে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন ফরোয়ার্ড আকবর হোসেন রিদন। তিনি নেন একটি ডান পায়ের শট। রাসেল গোলরক্ষক লিটন ডাইভ দিয়ে বল ঠেকিয়ে দিলেও রিবাউন্ডার এসে পড়ে ফাঁকায় দাঁড়ানো নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড টুয়াম ফ্রাংকের সামনে। জোরালো গ্রাউন্ডারে তিনি বল পাঠিয়ে দেন পোস্টে।

এর পরের মিনিটেই সমতা আনার সুযোগ পেয়েছিল রাসেল। আবারও নাসিরের ক্রস এবং একই জায়গায় বল পেয়ে ছিলেন রুম্মন। এবার তিনি হেড করেন তবে বল চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে।

বিরতির পর সমতা আনতে ব্যর্থ হন ইথিওপিয়ান ফরোয়ার্ড ফিকরু টেফেরা। ডান প্রান্ত থেকে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে ভেতরেও ঢুকে পড়েন ফরোয়ার্ড সাখাওয়াত হোসেন রনি। মাপা ক্রসও করেছিলেন। ফিকরু বল বুক দিয়ে নামিয়ে নেন প্লেসিং শট, তবে তা হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।

শেখ রাসেল যখন সমতা আনতে মরিয়া তখন হজম করে বসে দ্বিতীয় গোল। ৮১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ওয়ান-টু করে রাসেল ডিফেন্স ভেদ করেন শাহরান হাওলাদার ও চমরিন রাখাইন। শাহরানের ফরোয়ার্ড পাসে চমরিন পরাস্ত করেন এগিয়ে আসা শেখ রাসেল গোলরক্ষককে। নিশ্চিত হয়ে যায় রাসেলের টানা চতুর্থ পরাজয়।

/আরএম/এমআর/