এসময় দেশীয় ফরোয়ার্ডদের উন্নতি প্রশ্নে পাল্ট প্রশ্ন ছুড়েন বাফুফে সভাপতি, ‘আমার প্রশ্ন হলো বিদেশি খেলোয়াড়কে টপকে দেশি ফরোয়ার্ডদের মাঝে যোগ্যতা প্রমাণের তাড়না কাজ করে কী?
তবে সালাউদ্দীন স্বীকার করেন যে মান সম্পন্ন ফরোয়ার্ডের অভাব আছে, ‘ব্যাপারটি আমার অজানা নয়, সবাই তা দেখছে। ফুটবল তো প্রতিযোগিতার খেলা। এখানে মাঠে দলের বিপক্ষে, দলে ভিন্ন খেলোয়াড়ের বিপক্ষে নিজ যোগ্যতা প্রমাণ করে অন্যকে টপকে যাওয়ার ইচ্ছেও একজন খেলোয়াড়কে বড় করে তুলতে পারে।’
মানসম্পন্ন ফরোয়ার্ডের অভাব থাকলেও কাজী সালাউদ্দীন মনে করেন এজন্য প্রয়োজন কঠোর সাধনার, ‘এজন্য সাধনার প্রয়োজন, সাধনা করে একজন সাধারণ ফুটবলারও ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। আমাদের সময় আমরা নিয়মিত অনুশীলনের বাইরেও বাড়তি কাজ করেছি। এরকম অনেক উদাহরণ আছে, এখন ফুটবলাররা তা করে কিনা তা আমার জানা নেই।’
সালাউদ্দীন আশা প্রকাশ করেন যে জাতীয় দলের ফুটবলাররা নিজেদের চিন্তা শক্তি বাড়াবেন, ‘আমি আশা করি আমার ফুটবলাররা নিজেরাই বুঝতে চেষ্টা করবে নিজ ঘাটতি দূর করার জন্য কী করা দরকার। আর এটিই হতে পারে নিজের উন্নতির প্রথম পদক্ষেপ।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ফুটবলে নিজে চেষ্টা করলে অনেক দূর যাওয়া যায়। মেসি-রোনালদো নিজেদের জন্য বাড়তি প্র্যাকটিস করে, আমাদের ফুটবলাররা তো এ ফর্মুলার বাইরে নয়।’
/আরএম/এফআইআর/