খেলা শুরুর পাঁচ মিনিটের মাঝে দ্ইুবার ব্রাদার্স শিবিরে ঢুঁ মারে শেখ রাসেল। দ্রুত গতির পাল্টা আক্রমণ থেকে দুবার ব্রাদার্স গোলরক্ষক উত্তম বড়ুয়াকে ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে পেয়েও গোল করতে পারেননি ক্যামেরুনিয়ান ফরোয়ার্ড পল এমিল। দুই বারই আগুয়ান উত্তমের গায়ে বল মেরে দলকে ভাল সূচনা থেকে বঞ্চিত করেন তিনি।
এমনিতেই হতাশা এর পরে যদি দল পেনাল্টি থেকেও গোল করতে না পারে তবে আর থাকে কী! ১২ মিনিটে ব্রাদার্স ডিফেন্ডার কৃষ্ণপদ রাসেল ফরোয়ার্ড মিথুন চৌধুরিকে বক্সের মাঝে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় শেখ রাসেল। সেই পেনাল্টি থেকেও গোল করতে পারেননি ক্যামেরুনিয়ান ডিফেন্ডার জুলিয়াস ইকাঙ্গা, বল তিনি ভাসিয়ে দেন বারের ওপরে।
ব্রাদার্সের দুই ফরোয়ার্ড নাইজেরিয়ান এনকোচা কিংসলে আর হাইতিয়ান অগাস্টিন ওয়ালসন কাউন্টার অ্যাটাকে কেন যে কোনও দলের জন্য বিপদজনক, তার প্রমাণ রাখতেই কিংসলে করেন ম্যাচের প্রথম গোলটি। ওয়ালসনের করা থ্রু পাসটি নিয়ে সাপের মতো এঁকেবেঁকে রাসেল ডিফেন্স ভেদ করেন কিংসলে, আগুয়ান গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্যিকে পরাস্ত করেন কোণাকুণি প্লেসিং শটে।
রাসেলের রক্ষণভাগে অধিনায়ক মিশু আর ইকাঙ্গার মাঝে ছিল বিশাল ফাঁকা জায়গা। আরেক ডিফেন্ডার নাসিরুল ইসলাম ওভারল্যাপ করে পজিশনে ফিরতে করেন দেরী, এই সুযোগটা প্রায় কাজে লাগিয়েই ফেলেছিল ব্রাদার্স। এর ধারাবাহিকতায় করে বসে দ্বিতীয় গোল। ৩২ মিনিটে বক্সের ওপরে করা ফাউল থেকে মাপা ফ্রি-কিকে বল জালে জড়িয়ে দেন ওয়ালসন।
দ্বিতীয়ার্ধে মিথুন চৌধুরির জায়গায় শাখাওয়াত রনির মাঠে নামাটা কাজে দিয়েছিল রাসেলের। ৫৫ মিনিটে পল এমিলের স্কয়ার পাসে জোরালো এক গ্রাউন্ডারে উত্তম বড়ুয়াকে পরাস্ত করেন রনি, লড়াই করার রসদ পায় শেখ রাসেল। এর পর অনেক চেষ্টা করেও আর গোলের দেখা পায়নি গত বারের রানার্স-আপরা। একের পর এক গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন পল এমিল। বদলি হিসেবে মাঠে নামা জাহিদ হাসান এমিলিও কিছু করতে পারেননি। তাদের হতাশা ইনজুরি টাইমে আরও বাড়িয়েছেন ওয়ালসন। ব্রাদার্সের তৃতীয় গোলটি যে তার করা। ৭ ম্যাচে ব্রাদার্সের প্রথম জয় উদযাপন করার নায়কও তিনি
/আরএম/কেআর/