ক্লাবের প্রত্যাশা জানিয়ে ফরাসি কোচ বলেছেন, ‘এখানে (ক্লাব বিশ্বকাপ) অংশ নেওয়া কঠিন। আর প্রত্যেক টুর্নামেন্ট জিততেই সবসময় বাধ্য রিয়াল।’ ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের প্রথম ম্যাচ হবে বৃহস্পতিবার। প্রথমে তারা সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন ক্লাব আমেরিকার। জাপানে পৌঁছে তারা তিনদিন হাতে সময় পাচ্ছে। তবে বিমানে লম্বা যাত্রায় কেউ কেউ ক্লান্ত জানালেন জিদান। এনিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি এটা স্বাভাবিক।’
অবশ্য ক্লান্তি কেটে গেছে বলা যায়। ইয়োকোহামা এফসির হোম ভেন্যু মিতুসজাওয়া স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে দেখা গেছে খেলোয়াড়দের। শুধু সের্হিয়ো রামোস হোটেলে ছিলেন। কারণটা জানা যায়নি।
তবে ফুরফুরে মেজাজে ফেভারিট হিসেবে রিয়াল নতুন মিশনে মাঠে নামছে। সম্প্রতি লা লিগায় দেপোর্তিভো লা করুনার বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে জয় ছিনিয়ে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী মাদ্রিদের ক্লাব। ওই জয়কে অনুপ্রেরণা মেনে নিয়ে দ্বিতীয় ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপার মিশনে নামছে রিয়াল। এর আগে ২০১৪ সালে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর রিয়াল ক্লাব বিশ্বকাপে খেলেছিল। রামোস ও গ্যারেথ বেলের গোলে ফাইনাল জিতেছিল তারা সান লরেঞ্জোর বিপক্ষে। সফলতার সঙ্গে সান লরেঞ্জোকে হারিয়ে। সূত্র- মার্কা
/এফএইচএম/