বিশ্ব শিরোপার সঙ্গে রিয়ালের সম্পর্ক শুরু ১৯৬০ সালে অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় কাপের প্রথম আসরে। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা তাদের আমেরিকান প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে এমন ধারণা থেকে এ প্রতিযোগিতার জন্ম। ওই আসরের প্রথম ফাইনালে খেলা হয়েছিল দুই লেগে। রিয়াল মুখোমুখি হয় উরুগুয়ের পেনারোলের বিপক্ষে। মন্টেভিডিওর জাতীয় স্টেডিয়ামে গোলশূন্য ড্রর পর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দুর্দান্ত রিয়াল। দ্বিতীয় লেগে ৫-১ গোলে উরুগুইয়ান প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে প্রথম ক্লাব বিশ্বচ্যাম্পিয়নের শিরোপা হাতে নেয় তারা।
দ্বিতীয় শিরোপার প্রত্যাশা তারা করেছিল অল্প সময়ের মধ্যে। কিন্তু অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩৮টি বছর। শেষ পর্যন্ত জাপানে ১৯৯৮ সালে ব্রাজিলের ভাস্কো ডি গামাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার তারা পায় বিশ্ব সেরা ক্লাবের মর্যাদা। ৫ বছরে তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতায় বিশ্বের দরবারে সফলতার সুযোগ আরও বেশি করে পায় রিয়াল। কিন্তু ২০০০ সালে আর্জেন্টিনার বোকা জুনিয়র্সের কাছে ২-১ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে তারা। ওই ব্যর্থতা তারা ভুলে যায় দুই বছর পর। প্যারাগুয়ের অলিম্পিয়াকে হারিয়ে জেতে তৃতীয় আন্তঃমহাদেশীয় কাপ।
২০০৫ সাল থেকে আন্তঃমহাদেশীয় কাপ বিলুপ্ত হয়ে নাম নেয় ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস লিগ খরায় অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকে রিয়াল। যার শেষ হয় ২০১৪ সালে। দশম চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর দাপটের সঙ্গে সান লরেঞ্জোকে হারিয়ে জেতে নতুন টুর্নামেন্ট ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম শিরোপা। তারা স্পর্শ করে চারটি বিশ্ব শিরোপাজয়ী ক্লাব এসি মিলানকে। আজ জাপানি ক্লাবকে হারাতে পারলে সবচেয়ে অনন্য ক্লাবের মর্যাদাই পাবে রিয়াল। সঙ্গে ব্রাজিলের মতো সম্মানও জুটতে পারে তাদের ভাগ্যে। সূত্র- মার্কা
আজ বিকাল সাড়ে চারটায় নিও স্পোর্টসে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে রিয়াল মাদ্রিদ ও কাশিমা অ্যান্টলার্সের ফাইনাল খেলাটি।
/এফএইচএম/