ক্রিস্তিয়ানোর জন্য দর্শনীয় বছর, বললেন রোনালদো

cristiano-ronaldo-afpনা, ব্রাজিলিয়ান রোনালদো কিছু বলেননি। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো নিজেই বলেছেন নিজের কথাটা। বলবেনই তো, সাফল্যময় একটা বছর কাটাতে যা যা দরকার, তার সবকিছুই জয় করেছেন পর্তুগিজ যুরবাজ। ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে একসঙ্গে এতটা ভালো বছর হয়তো আর কাটাননি রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার।

জাপানের ক্লাব কাশিমোর বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে রিয়াল ৪-২ গোলের ব্যবধানে। যে ম্যাচের নায়ক রোনালদো করেছেন হ্যাটট্রিক। ২০১৬ সালটা আসলে এর চেয়ে ভালো করে শেষ করা যেত না তার। বছরের শেষে ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা মুঠোবন্দি করার আগে রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর প্রথমবারের মতো পর্তুগালের সঙ্গে জেতেন ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। আর সাফল্যের সব অধ্যায় রঙিন আলোতে উজ্জ্বল হয়েছে ব্যক্তিগত অর্জনের খাতায় ব্যালন ডি’অর যোগ হয়ে। এত এত প্রাপ্তিতে পরিপূর্ণ রোনালদো খুশি নিজের অর্জনে, ‘তারা (ভক্তরা) আমার কাছে সব সময় অনেক বেশি প্রত্যাশা করে। ব্যালন ডি’অর জয়ের পর উৎসবমুখর একটা সপ্তাহ কাটাল আমার। এ জন্য ধন্যবাদ দিতে চাই আমার সতীর্থদের, কারণ তাদের সাহায্য ছাড়া কখনোই জিততে পারতাম না ব্যক্তিগত এই পুরস্কার।’

গোলের পর গোল করে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেও প্রায়ই সমালোচনায় বিদ্ধ হতে হয় রোনালদোকে। এমনকি খোদ রিয়াল সমর্থকদের কাছ থেকেও দুয়ো শোনেন পর্তুগিজ অধিনায়ক! অবশ্য এই বিষয়গুলোর মুখোমুখি হওয়াটা রোনালদোর জন্য স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গেছে এখন। সেটা সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড উইঙ্গারও স্বীকার করে নিলেন, ‘পরিসংখ্যান কিন্তু সব সময় মিথ্যা কথা বলে না। প্রায়ই মানুষজন আমাকে নিয়ে সমালোচনা করে, যদিও বিষয়টাতে আমি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।’ রোনালদোর আসল লক্ষ্য হলো নিজের পারফরম্যান্স। যার বিচারে চলতি বছরটাকে তিনি বিশ্লেষণ করলেন এভাবে, ‘অনেক বছর ধরে আমি আমার মান দেখিয়ে আসছি মাঠে। এবারও করেছি। দর্শনীয় এক মৌসুম কাটিয়েছি রিয়াল মাদ্রিদ ও পতুর্গালের হয়ে।’ এএফপি

/কেআর/