২২ ম্যাচে মোহামেডানের পয়েন্ট ২০। আর ম্যাচের চেয়ে পয়েন্ট কম নেওয়ার এমন রেকর্ড নিজেদের ইতিহাসে প্রথম ঘটালো মোহামেডান। এছাড়া পয়েন্ট তালিকায় অবস্থানগত দিক থেকেও বাজে রেকর্ড গড়েছে সাদা কালোরা। ২০০৮-০৯ মৌসুমে ষষ্ঠ অবস্থান ছিল তাদের সর্বনিম্ন রেকর্ড।
প্রতিপক্ষ বারিধারার পয়েন্ট ১৮। এ ম্যাচ হারলে অবনমনের শঙ্কায় পড়তো বারিধারা। যদিও এখন অবনমনের খড়গ ঝুলছে ১৫ পয়েন্ট পাওয়া ফেনী সকারের ওপর।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছিল মোহামেডানেরই। ৯ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে নেওয়া মাশুক মিয়া জনির চিপে পায়ের বাইরের অংশ দিয়ে প্লেস করেছিলেন নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার পউমি ল্যান্ড্রি। বল আঘাত হানে ক্রসপিসের মাঝামাঝি অংশে।
তবে সাদা কালো শিবির তাদের আক্রমণ ধারা অব্যাহত রাখে। ২০ মিনিটে চলে আসে গোলের কাছাকাছি। এবার মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস দিয়েছিলেন ইসমাইল বাঙ্গুরা। বারিধারা ডিফেন্স সেটি রুখতে পারেনি। যদিও আগুয়ান ফরোয়ার্ড আমিনুর রহমান সজিব গোলরক্ষক মো. রাজিবকে পরাস্ত করতে পারেননি।
একইভাবে ২২ মিনিটে গোলের কাছাকাছি এসেছিল বারিধারাও। আগের মিনিটেই খালেকুজ্জামান সবুজের ফ্রি-কিক পাঞ্চ করে কর্নার করেছিলেন মোহামেডান গোলরক্ষক মো নেহাল। সেই কর্নারটিই নেন সবুজ, তাতে হেড করেছিলেন বারিধারার গিনিয়ান ডিফেন্ডার সিলা মানসা। বল ক্রসপিসে লেগে ফিরে আসলে ডিফেন্ডাররা তা ক্লিয়ার করেন।
এভাবে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ হলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনও দলই।
দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকে মোহামেডানের দাপট ছিল। ৫৫ মিনিটে মাশুক মিয়া জনির কর্নারে ছোট বক্সের ওপর থেকে হেড করেছিলেন ইসমাইল বাঙ্গুরা। ডানাদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল কর্নার করেন মো. রাজিব। তবে উত্তর বারিধারা তাদের ডিফেন্স মজবুত করে খেললে ম্যাচে আর গোল হয়নি।
/আরএম/এফআইআর/