বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল সাইফ স্পোর্টিং। যদিও গোলের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধেও ভুগতে হয় তাদের। সেটা আরও বড় আকার ধারণ করে ডিফেন্ডার রিয়াদুল হাসান দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে। গোল তো দিতে পারছিলই না, উল্টো একজন খেলোয়াড় কমে যাওয়ায় সুযোগ বেড়ে যায় শেখ রাসেলের।
যদিও হয়েছে উল্টোটা। ১০ জন নিয়েও ঠিকই এগিয়ে যায় সাইফ স্পোর্টিং। ৬২ মিনিটে তাদের এগিয়ে নেন জামাল ভূঁইয়া। বাংলাদেশ দলের এই মিডফিল্ডারের গোলে উৎসবে মাতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে এবারই প্রথমবার নাম লেখানো সাইফ স্পোর্টিং। যদিও সেই উৎসব স্থায়ী হয়নি বেশিক্ষণ, মিনিট সাতেক পরই শেখ রাসেল সমতায় ফেরে ফজলে রাব্বির লক্ষ্যভেদে।
পরে আর কোনও পক্ষই পায়নি গোলের দেখা। তাই ১-১ গোলের ড্র নিয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুদল। এই ড্রয়ে ৯ ম্যাচ শেষে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সাইফ স্পোর্টিং রয়েছে তালিকার চতুর্থ স্থানে। সমান ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে শেখ রাসেল।