বুধবার প্রথমার্ধে ছয়টি আক্রমণ করে চার বারই প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছে লাল-সবুজের দল। দুশানবের হিসোর সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে ১৩ মিনিটে কর্নার থেকে সুফিলের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে বিশ্বনাথ গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। ৩৩ মিনিটে রহমতের কর্নার থেকে রিয়াদুলের হেডে দ্বিগুণ হয়ে যায় ব্যবধান।
৩-০ হয়েছে ৩৮ মিনিটে, সৈকতের বাড়ানো বলে সুফিলের প্লেসিং শটে। আর বিরতির ঠিক আগে বিপুলের সেন্টার থেকে সুফিলই এনে দিয়েছেন চতুর্থ গোল।
বিরতির সময় কোচ আরও গোলের জন্য শিষ্যদের অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল না হওয়ার কারণ হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে কোচ রক্সি বলেছেন, ‘বিরতিতে ছেলেদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু টিম গেম না খেলে সবাই ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করায় আর গোল হয়নি।’
দ্বিতীয়ার্ধে জাফর ইকবাল আর ফাহিম বদলি হিসেবে নেমেও কিছু করতে পারেননি। বিরতির পর সাতটি সুযোগ এসেছে, কিন্তু শ্রীলঙ্কার জমাট ডিফেন্স ভেদ করা সম্ভব হয়নি বাংলাদেশের পক্ষে।
তবু টুর্নামেন্টে দলের পারফরম্যান্সে খুশি রক্সি, ‘তাজিকিস্তানে আমাদের অনেক প্রাপ্তি। দল ভালো খেলেছে। এখন এই খেলোয়াড়দের ধরে রাখতে হবে, তাদের পরিচর্যা করতে হবে, আরও কঠিন প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলতে হবে। তাহলে ছেলেরা আরও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারবে দেশকে।’