১৬ ম্যাচ থেকে ঢাকা আবাহনীর সংগ্রহ ৩৬ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম আবাহনীর পয়েন্টও ৩৬, তবে তারা একটি ম্যাচ কম খেলেছে। গোল গড়েও ঢাকা আবাহনীর (+১৪) চেয়ে এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম আবাহনী (+১৯)। অন্যদিকে ১৬ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে শেখ রাসেলের অবস্থান ষষ্ঠ।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় আবাহনী। তৃতীয় মিনিটে ওয়ালী ফয়সালের কর্নারে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন এমেকা। বিরতির ঠিক আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। তবে ওয়ালীর কর্নারেই এমেকার হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দিয়েছেন শেখ রাসেলের এক ডিফেন্ডার।
পুরো ম্যাচে গোল করার তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি শেখ রাসেল। দলটির কোচ শফিকুল ইসলাম মানিকের কথা, ‘আমাদের দলের বিদেশি খেলোয়াড়দের মান ভালো নয়। গোলটিও খেয়েছি নিজেদের ভুলে। যেসব সুযোগ পেয়েছি, সেগুলো থেকে গোল করতে না পারলে হার এড়াবো কী করে!’
আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিত দাস রুপু আরেকটি জয় পেয়ে উচ্ছ্বসিত, ‘আমাদের দল এখন দারুণ উজ্জীবিত, সবাই ভালো খেলছে। যে কারণে বিদেশি কোচ ছাড়াই দল জিতে চলেছে।’
দিনের অন্য ম্যাচে ফরাশগঞ্জ ১-০ গোলে হারিয়েছে বিজেএমসিকে। ১৩ ম্যাচ পর জয়ের দেখা পাওয়া পুরোনো ঢাকার দলটির একমাত্র গোলদাতা লামিনে কামারা। ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করেছেন গাম্বিয়ার এই মিডফিল্ডার। গোলটির চার মিনিট আগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে জুয়েল মল্লিক বেরিয়ে গেলেও ১০ জন নিয়েই জিতেছে ফরাশগঞ্জ।
১৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ফরাশগঞ্জের অবস্থান একাদশ। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানেই আছে বিজেএমসি।