রহমতগঞ্জকে হারিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম আবাহনী

চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলের উল্লাস। ছবি-বাফুফেঅসময়ের বৃষ্টিতে চলছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল। মাঠের এমন দুরবস্থা যে কেউ দেখলে চষা ক্ষেত ভেবে ভুল করতে পারে! এমন মাঠে চট্টগ্রাম আবাহনীর দিকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল রহমতগঞ্জ, কিন্তু সফল হতে পারেনি। ১-০ গোলের স্বস্তির জয়ে চট্টগ্রাম আবাহনী এখন এককভাবে লিগের শীর্ষে।

১৬ ম্যাচে চট্টগ্রামের দলটির সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। দুই পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। অন্যদিকে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে রহমতগঞ্জের অবস্থান দশম।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে চট্টগ্রাম আবাহনী। যদিও গোলের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে দীর্ঘক্ষণ। ২০ মিনিটে ডান দিক থেকে সুশান্ত ত্রিপুরার বাড়ানো ক্রসে তৌহিদুল আলম সবুজের ভলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। চার মিনিট পর জাহিদ হোসেনের কর্নার থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে একজনকে কাটিয়ে শট নিয়েছিলেন সোহেল রানা। কিন্তু ঝাঁপিয়ে পড়ে রহমতগঞ্জকে রক্ষা করেছেন গোলরক্ষক মোহাম্মদ রাজিব। ৩৬ মিনিটে জাহিদের ফ্রিকিক পোস্টে লেগে আবার হতাশ করেছে চট্টগ্রাম আবাহনীকে।

বিরতির পরও হতাশা বাড়ছিল লিগের শীর্ষ দলের। ৭০ মিনিটে হাইতির লিওনেল সেইন্ট প্রিয়াক্সের জোরালো শট ক্রসবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। তিন মিনিট পর অবশ্য  হাসি ফুটেছে চট্টগ্রাম আবাহনীর সমর্থকদের মুখে। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর ফ্রিকিক পোস্টের ভেতরের দিকে লেগে জালে জড়িয়ে যায়, আর এই গোলটি হয়ে দাঁড়ায় জয়সূচক।

তিনটি মূল্যবান পয়েন্ট পেয়ে চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ সাইফুর বারী টিটু দারুণ খুশি, ‘এমন ভারী মাঠে দল যেভাবে খেলেছে তাতে আমি সন্তুষ্ট। আমরা লিগের শীর্ষ দল, আমাদের যে কেউ আটকানোর চেষ্টা করবে।’

অন্যদিকে হারের জন্য বিতর্কিত রেফারিংকে দায়ী করলেন রহমতগঞ্জের কোচ কামাল বাবু, ‘আমাদের দুটি নিশ্চিত পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। রেফারিং ভালো হলে আমরাই ম্যাচটা জিততাম।’