রিয়ালের বেঞ্চে মাত্র দুই বছর বসেই ইতিহাস লিখে ফেলেছেন জিদান। ২০১৬ সালের ৪ জানুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর ফিরিয়ে এনেছেন রিয়ালের সাফল্যের দিন, যা মাদ্রিদের অভিজাতরা হারিয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার কাছে। তার আগে হুয়ান্দ্রে রামোস, মানুয়েল পেলেগ্রিনি কিংবা হোসে মরিনহোর মতো কোচরা চেষ্টা চালিয়েও পারেননি রিয়ালকে তার জায়গায় নিয়ে যেতে।
কার্লো আনচেলত্তি জিতেছিলেন ৪ শিরোপা, যা বার্সেলোনার সমান। কিন্তু জিদান? শুধু ছাড়িয়ে গেলেন না, জিতেছেন কাতালানদের চেয়ে দ্বিগুণ শিরোপা! জিদান দায়িত্ব নেওয়ার সময় থেকে বার্সেলোনা জিতেছে ৪ শিরোপা, আর ফরাসি কিংবদন্তির শিরোপা ৮টি।
রাফায়েল বেনিতেজকে অনেক আশা নিয়ে দায়িত্ব দিয়েছিল রিয়াল। যদিও ছয় মাসের মাথায় স্প্যানিশ কোচকে ছাড়তে হয়েছিল দায়িত্ব। বেনিতেজ যখন দায়িত্ব ছাড়েন, তখন রিয়াল ছিল লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে, বার্সেলোনার চেয়ে ৫ পয়েন্টে পিছিয়ে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলো নিশ্চিত করলেও ‘নিষিদ্ধ’ খেলোয়াড় দেনিস চেরিশেভকে খেলানোর অপরাধে বাদ পড়ে কোপা দেল রে থেকে। ওই জায়গা থেকে ‘জিজু’ মৌসুম শেষ করলেন রিয়ালকে একাদশ চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতিয়ে। আর লা লিগা শেষ করেন বার্সেলোনার চেয়ে ১ পয়েন্টে পিছিয়ে। লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে কাপ জিতে বার্সেলোনা ঘরে তোলে দুই শিরোপা।
জিদানের এক শিরোপার বিপরীতে বার্সেলোনার ২।
পরের মৌসুমে ইউরোপিয়ান সুপার কাপ, ক্লাব বিশ্বকাপ, আরেকটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লিগ জিতে জিদান তার শিরোপা সংখ্যা নিয়ে যান ৫-এ। তার সঙ্গে এবার ইউরোপিয়ান সুপার কাপ, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ যোগ করে কোচ জিদান রিয়াল ক্যারিয়ারে জিতেছেন ৮ শিরোপা। এই সময়ে বার্সেলোনা শুধুমাত্র যোগ করতে পেরেছে একটি কোপা দেল রে ও একটি স্প্যানিশ সুপার কাপ।
সব মিলিয়ে জিদান ৮, বার্সেলোনা ৪। মার্কা