আরও বড় ট্রফি জিততে চায় বাংলাদেশের মেয়েরা

বাংলাদেশদেশের মাঠে প্রথম মেয়েদের কোনও সাফের আসর। আর তাতেই বাজিমাত করেছে বাংলাদেশ। অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে স্বপ্নপূরণ হয়েছে আঁখি-মারিয়া-শামসুন্নাহারদের। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই আনন্দে প্রজাপতির মতো উড়ছিল তারা।

দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা সবাইকে জানিয়েছে বড়দিনের শুভেচ্ছা, ‘আমরা আনন্দিত। সাবিনাকে আমরা জয় উৎসর্গ করলাম। এটা আমাদের বিশাল উপহার। দেশবাসীকে ধন্যবাদ। প্রতিপক্ষের দুর্বল জায়গা ধরতে পেরেছি। ওরা বেশি উপরে ওঠে আসার পর আমরা প্রেস করলে ওরা নার্ভাস হয়ে যেত। আমার হাত ধরে ট্রফি এলো, এই আনন্দ অন্যরকম। আর এত দর্শক দেখে অনেক উৎসাহিত হয়েছি।’

বাংলাদেশ ফেয়ার প্লে ট্রফি পেয়েছে। ৪ গোল করে ভারতের প্রিয়াঙ্কা দেবী সর্বোচ্চ গোলদাতা। আর স্বাগতিকদের ডিফেন্ডার আঁখি খাতুন হয়েছেন টুর্নামেন্টসেরা। সেরা হয়ে আঁখি বলেছেন, ‘আমি প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছি। আমার দলের সবাই খুশি। আমাদের কোচও খুশি। ম্যাচের আগে ভালো খেলার ইচ্ছা ছিল। সবাই ভালো খেলেছে। ভাবিনি ট্রফি জিতব। সেরার পুরস্কারটা আমার বদলে অন্য কেউ পেলেও আফসোস থাকত না। আমরা জিতেছি, এটাই বড় কথা। এরপর এর চেয়ে বড় ট্রফি জিততে চাই। সেটা হতে পারে সিনিয়রদের আসর।’

সাধারণত শামসুন্নাহার ডিফেন্সে খেলে থাকে। কোচ তাকে ফাইনালে উইংয়ে খেলিয়েছেন। এটা ছিল তার কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে উতরে গেছেন ময়মনসিংহের এই মেয়ে। তার একমাএ গোলেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এই পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোল ৭টি। ঢাকায় অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাই পর্বে ৪টি, থাইল্যান্ডের মূল পর্বে একটি ও ঢাকার আসরে ২টি।

শামসুন্নাহার তার সেই চ্যালেঞ্জের কথা মনে করিয়ে দিলেন এভাবে, ‘লেফটব্যাক থেকে উইংয়ে খেলাটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কোচ আমাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আমার গোল ৭টি। ভবিষ্যতে আরও গোল করতে চাই। তবে ৭ গোলের মধ্যে এবারের ফাইনালের গোলটিকে আমি এগিয়ে রাখব।’