বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে এগিয়ে যায় বিজেএমসি। নাইজেরিয়ার কিংসলে ওসিয়োকাকে নিজেদের বক্সের ভেতর ফাউল করে শেখ রাসেলের এক ডিফেন্ডার। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। স্পট কিক থেকে কিংসলে নিজেই গড়ানো শটে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্যকে ফাঁকি দিয়ে বল জড়ান জালে।
২৭ মিনিটে শেখ রাসেল সমতায় ফেরে। বাঁ প্রান্ত থেকে খালেকুজ্জামানের কাছ থেকে পাওয়া বলে মিশরের ফরোয়ার্ড জাকি সারহান কিছুটা ফাঁকায় থেকে প্লেসিং শটে স্কোরলাইন করেন ১-১। ৪০ মিনিটে কর্নার থেকে কিংসলে ওশিয়োকার শট বারের উপর দিয়ে না গেলে ব্যবধান বাড়তে পারতো।
বিরতির পর নিষ্প্রাণ খেলা চলতে থাকে। তবে শেষ ১১ মিনিটে হঠাৎ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা! আরও দুটি গোল এসেছে এই সময়ে। ৭৯ মিনিটে মোনায়েম খান রাজুর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, ফিরতি বলে হাইতির ফরোয়ার্ড ফ্রাঙ্ককুইস জ্যাকুয়েসের হেড জালে জড়িয়ে গেলে শেখ রাসেল এগিয়ে যায়।
৮৫ মিনিটে বিজেএমসির কিংসলে ওশিয়োকার বাইসাইকেল শট গোলরক্ষক বিপ্লবের গ্রিপে। ৮৮ মিনিটে দলের হার এড়ান পাশবন মোল্লা। ডানপ্রান্ত থেকে শরিফুলের ক্রসে পাশবন মোল্লা মাথা ছুঁয়ে বিজেএমসিকে ফেরান সমতায়।
লিগের প্রথম পর্বে শেখ রাসেল জিতেছিল ১-০ গোলে। বৃহস্পতিবার ফিরতি পর্বে জয়ের ধারা সচল রাখতে পারেনি। ড্র করে শেখ রাসেল ও বিজেএমসি মাঠ ছেড়েছে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে। অবশ্য এই ড্রয়ে যে তারা শিরোপা দৌড় থেকে পিছিয়ে পড়ল, বিষয়টি তা নয়। কারণ শিরোপা দৌড় থেকে ছিটকে গেছে তারা আগেই।
মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে দল গড়ে এবারও শেখ রাসেল সুবিধা করতে পারছে না। ১৯ ম্যাচে সপ্তম ড্রয়ে শেখ রাসেল ২৫ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। ঠিক তাদের পেছনেই থাকা বিজেএমসির পয়েন্ট ১৮।