অ্যাটলেটিকো ডি কলকাতার প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা টেডি শেরিংহ্যাম। কিন্তু ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (আইএসএল) দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। তার অধীনে ১০টি ম্যাচ খেলে চারটিতেই হার মেনেছে ‘এটিকে’, জিতেছে তিনটি, বাকি তিনটি ড্র। একপর্যায়ে সহকারী কোচ অ্যাশলি ওয়েস্টউডের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন টেডি। ম্যানইউ’র ১৯৯৯ চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের নায়ককে তাই বিদায় করে দিতে দ্বিধা করেনি অ্যাটলেটিকো।
বাবার মতো বড় তারকা হতে পারেননি চার্লি শেরিংহ্যাম, তবে ইংলিশ লিগে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। গত নভেম্বরে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দিয়ে ঘরোয়া ফুটবলে আলোড়ন তুললেও বাংলাদেশে তেমন ভালো খেলতে পারেননি। প্রিমিয়ার লিগের ফিরতি পর্বে ছয়টি গোল করেছেন এই দীর্ঘদেহী স্ট্রাইকার। এএফসি কাপের প্রি প্লে-অফের দুই ম্যাচে গোল পাননি একটিও।
মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টস ক্লাবের কাছে দুই ম্যাচেই হেরে যাওয়ার পর সাইফ স্পোর্টিংয়ের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। দলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিরউদ্দীন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে হতাশার সুরে বললেন, ‘আমাদের কোনও বিদেশি ফুটবলার নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। অথচ তাদের আমরা ভালো পারিশ্রমিক সহ অনেক সুযোগ-সুবিধা দিয়েছিলাম। চার্লি যেন ভালো খেলতে পারে, সেজন্য তার বাবা টেডি শেরিংহ্যামকে পর্যন্ত আমরা ঢাকায় নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু বিদেশিরা আমাদের সেভাবে সার্ভিস দিতে পারেনি। হাইতির স্ট্রাইকার ওয়েডসন হতাশ করেছে, শেরিংহ্যামও তা-ই। দুজনের কাউকেই আমরা রাখছি না। আগামী মৌসুমে অন্য বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে আসবো।’