বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শিরোপা লড়াইয়ে শুরু থেকে ছিল আরামবাগের আধিপত্য। ২০ মিনিটে এগিয়ে যায় নতুন চ্যাম্পিয়নরা। মিডফিল্ডার শাহরিয়ার বাপ্পীর ক্রস থেকে ডিফেন্ডার আরিফের হেড পরাস্ত করে চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানাকে। ছয় মিনিট পর অবশ্য সুযোগ পেয়েছিল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু বক্সে ঢুকে মিডফিল্ডার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জোরালো শট নিলেও তা ধরে ফেলেন আরামবাগের গোলরক্ষক আজম খান। ২৭ মিনিটে আরামবাগের ফরোয়ার্ড জুয়েলের জোরালো শটও রুখে দেন চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলরক্ষক রানা।
৩৭ মিনিটে আবার হতাশ হয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। মামুনুলের কর্নার সরাসরি পোস্টে ঢোকার মুহূর্তে ফিরিয়ে দেন আজম খান। বরং বিরতির ঠিক আগে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় আরামবাগ, জুয়েলের ক্রস থেকে আলতো টোকায় গোল করেন দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার রকি।
বিরতির পর বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল চট্টগ্রাম আবাহনী, কিন্তু গোলের দেখা পায়নি। ৫৫ মিনিটে আরিফের গড়ানো শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার ৯ মিনিট পর সবুজের হেড চলে যায় গোলরক্ষকের গ্রিপে। ৬৭ মিনিটে আব্দুল্লাহর জোরালো শট ফিরে আসে ক্রসবারে লেগে। বাকি সময়ে তেমন কিছু করতে পারেনি চট্টগ্রাম আবাহনী, তাই নতুন চ্যাম্পিয়নকে বরণ করে নিয়েছে মৌসুমের শেষ টুর্নামেন্ট।