মূল ধারায় কোচিং করাতে এসে কোনও মাঝারি মানের দল নিয়ে এই প্রথম শিরোপা দেখলেন আরামবাগ কোচ মারুফুল হক। ২-০ গোলে ফাইনাল জিতে উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সধারী কোচ সমর্থকবেষ্টিত অবস্থায় বলেছেন, ‘টিম স্পিরিটের কারণেই শিরোপা পেয়েছি। সবার মধ্যে উৎসর্গের মানসিকতা ছিল, ভালো করার তাড়না ছিল। ফাইনালের আগে ১০ মাস কাজ করেছি দলকে নিয়ে।’
এই দল অনেক দূর যেতে পারবে আশাবাদী মারুফুল, ‘আমার কাছে মনে হয়, এদেশের ফুটবলকে দেওয়ার মতো অনেক কিছুই আছে দলের খেলোয়াড়দের মাঝে।’
এর আগে শেখ রাসেল ক্লাবকে ট্রেবল জেতান মারুফুল। তাছাড়া শেখ জামাল ফেডারেশন কাপও জিতেছে তার অধীনে। দুর্দান্ত দল নিয়েই ওই সফলতাগুলো পেয়েছিলেন তিনি। তাদের তুলনায় আরামবাগের এই দল মাঝারি মানের বলা চলে। এমন একটি দল নিয়ে শিরোপা জেতায় উচ্ছ্বাসের মাত্রা আরও একটু বেশি, ‘আগে যতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, ততবারই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতোই খেলোয়াড় ছিল দলে। এবার মাঝারি মানের দল। সবার মধ্যে বিশ্বাস ছিল কিছু একটা করে দেখানোর। তাই হয়েছে।’
ম্যাচ শেষ হতে না হতেই আরামবাগের সভাপতি মমিনুল হক সাইদকে শূন্যে তুলে নিয়ে খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। ক্লাব সভাপতি তাৎক্ষণিকভাবে ১০ লাখ টাকা বোনাসও ঘোষণাও করেছেন।
একদিকে আরামবাগে চলছে উদযাপন, অন্যদিকে চট্টগ্রাম আবাহনীতে চলছে হতাশা। চট্টগ্রামের এই দলটির কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু ম্যাচ হেরে স্বীকার করে নিলেন নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথা। তিনি বলেছেন, ‘দলটির অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। ওইসব সীমাবদ্ধতা বুঝেই আমাকে কাজ করতে হয়েছে। ফাইনালে হেরে গেলে কোনও কোচই সন্তুষ্ট হতে পারে না।’