২১ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে লিওনেল মেসি এগিয়ে দেন বার্সাকে। আর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বিতর্কিত পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি আন্তোনিও মাতেউ। ওই পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরায় স্বাগতিকরা।
বিরতি থেকে ফেরার তিন মিনিট পর কর্নার থেকে উড়ে আসা বল কাড়তে গিয়ে সার্জি রবের্তোর সঙ্গে পেছনে ধাক্কা লেগে পড়ে যান মাতিয়াস আগুইরেগ্যারে, বলটি সুয়ারেসের মাথা ছুঁয়ে পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলটি দিগনের হাতে লেগেছে ভেবে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন মাতেউ।
আর এই গোলেই বার্সাকে হারাতে হলো দুটি পয়েন্ট। তাই হতাশ ভালভারদে, ‘পেনাল্টিটা আমাদের মনে কষ্ট দিয়েছে। আমরা দেখলাম, একটা অদৃশ্য পেনাল্টি থেকে তারা সমতা ফেরালো।’ অবশ্য প্রতিপক্ষের রক্ষণকেও কৃতিত্ব দিলেন বার্সা কোচ, ‘আমরা প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিলাম, কিন্তু লিডটা ছিল ছোট। পেনাল্টির ধরন দেখে আমরা হতাশ। এরপর তারা ভালোভাবে রক্ষণ সামলেছে। আমরা চেষ্টা করেছি গোলের জন্য। কিন্তু আমাদের ধারাবাহিকতাও তেমন ছিল না, তারই মাশুল দিতে হলো।’
পেনাল্টি কেন দেওয়া হলো সেটা বোধগম্য নয় ভালভারদের, এমনকি তার খেলোয়াড়রা জানেন না কারণ। তাছাড়া রেফারির আরেকটি সিদ্ধান্তে হতবাক কোচ। বিরতির কিছুক্ষণ আগে ডিবক্সের বাইরে স্লাইড করতে এসে হাত দিয়ে বল ঠেকান লাস পালমাস গোলরক্ষক লিয়ান্দ্রো চিচিজোলা। কিন্তু তাকে শাস্তি দেওয়া হয়নি। এনিয়ে ভালভারদের মন্তব্য, ‘আমি রেফারিং নিয়ে বিশ্লেষণ করতে চাই না। বিরতির সময় আমি বক্সের বাইরে গোলকিপারের ইচ্ছাকৃত ও স্পষ্ট হ্যান্ডবলের ব্যাপারে তার সঙ্গে কথা বলেছি। আর পেনাল্টি যেটা হয়েছে, আমি এখনও বুঝতে পারছি না কেন দেওয়া হলো। ড্রেসিংরুমেরও কেউ বুঝতে পারছে না পেনাল্টির জন্য কে কী করেছে।’ গোল ডটকম