জাফর-সুফিলের গোলের উচ্ছ্বাস

সুফিল ও জাফর (ডানে)জাতীয় দলে জাফর ইকবালের অভিষেক ভুটানের বিপক্ষে সেই ‘অভিশপ্ত’ ম্যাচে। আর বাংলাদেশের জার্সিতে আজই অভিষেক হলো আবু সুফিয়ান সুফিলের। দুই তরুণ ফরোয়ার্ডের লক্ষ্যভেদ মান বাঁচিয়েছে দলের, লাওসের মাঠে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ড্র করেছে বাংলাদেশ। খাদের কিনারে দাঁড়ানো দলকে সম্মানজনক ড্র উপহার দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত দুই ফরোয়ার্ড।

গত বছর সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবলে গোল্ডেন বুট পুরস্কার পাওয়া জাফর ইকবাল জানালেন, ‘ভুটান ম্যাচে আমি ছিলাম, সেই ম্যাচে হারের যন্ত্রণায় বিদ্ধ হয়েছিলাম। একটা আন্তর্জাতি ম্যাচের অপেক্ষায় ছিলাম আমরা। দেশের জন্য গোল করার সুযোগ খুঁজছিলাম, সুযোগটা কাজে লাগাতে পেরে আমি খুব খুশি। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আমার গোলেই দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে, ড্র করেছে।  তাই আমার উচ্ছ্বাসটা একটু বেশি।’

অভিষেকেই জ্বলে উঠে, ইনজুরি সময়ে গোল করে ড্র ছিনিয়ে আনা সুফিলও আনন্দিত, ‘জাতীয় দলে খেলা যে কারও জন্য স্বপ্নের মতো। তার ওপরে আমি অভিষেকেই গোল করেছি। নিজে গোল পেয়েছি, দলও ড্র করেছে। তাই দলের মধ্যে আমি সবচেয়ে খুশি।’

জাতীয় দলের অস্ট্রেলিয়ান কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ড অবশ্য তেমন আত্মতৃপ্তিতে ভুগছেন না, ‘প্রথমার্ধে আমরা দুই গোলে পিছিয়ে ছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধে দল ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বলে হার এড়ানো গেছে। সামনে আরও ভালো খেলতে হবে আমাদের।’

জাতীয় দলের ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু বলেছেন, ‘দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম। ওরা আমাদের ভুলে গোল পেয়েছে। তবে ছেলেরা প্রমাণ করেছে, তাদের ভালো খেলার সামর্থ্য আছে। অন্তত হারের বৃত্ত থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি। আপাতত এটাই সবচেয়ে খুশির কথা।’