মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ১০-১ গোলে জয়ের পর ইরানকে ৮-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। রবিবারের অঘোষিত ‘ফাইনাল’ শেষে সব মিলিয়ে তারা শিরোপা জিতলো ২৪ গোল করে! হংকং থেকে প্রত্যাশা পূরণ করে দেশে ফেরায় উচ্ছ্বসিত গোলাম রব্বানী, ‘ঢাকা থেকে যে প্রত্যাশা নিয়ে এসেছি, সেটা পূরণ হয়েছে। মেয়েরা যে উন্নতি করে আসছে, তারই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা গেছে।’
তবে দলের আশাতীত পারফরম্যান্সে কোচ বেশ অবাক কোচ, ‘ঢাকায় সাফে যেভাবে চার ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ, ঠিক সেভাবে হংকংয়েও খেলেছে তারা। এটা আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হয়েছে। খেলাতে কোনও উত্থান-পতন ছিল না। এটা একটা বিশাল ব্যাপার। প্রতিটি ম্যাচে মেয়েরা একই রকম ফুটবল খেলেছে।’
এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের রহস্য মেয়েদের কঠোর পরিশ্রম। গোলাম রব্বানী বলেছেন, ‘কয়েক মাসের কঠোর অনুশীলনের ফল পেয়েছে মেয়েরা। কৌশলে তো বটেই, শারীরিক ও মানসিক সব দিক থেকে উন্নতি করেছে তারা। অন্য ম্যাচের মতো আজও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আক্রমণাত্মক ফুটবলে খেলেছে। প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতেই দেয়নি।’
হংকংয়ের সিউ সাই ওয়ান স্পোর্টস মাঠে বাংলাদেশের খেলা দেখতে হাজার দুয়েক প্রবাসী এসেছিলেন। তাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল দেখার মতো। বাংলাদেশ কোচ বললেন, ‘অনেক দূরের শহর থেকেও প্রবাসী দর্শক আমাদের মেয়েদের উৎসাহ দিতে এসেছিল। ম্যাচে সারাক্ষণ তারা আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। মেয়েদের খেলা দেখে সবাই অনেক খুশি মনে বাসায় ফিরেছে।’