মঙ্গলবার কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে রোমা ৩-০ গোলে হারালো বার্সেলোনাকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪ গোলের সমতা। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পে করা একটি গোলের দারুণ সুবিধা নিয়ে শেষ চারে উঠে গেলো রোমা।
মাত্র ৬ মিনিটে এডিন জেকোর গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ড্যানিয়েল ডি রোসির গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। মানোলাসের ৮২ মিনিটের গোলে রোমা পায় তাদের আকাঙ্ক্ষিত সেমিফাইনালের দেখা।
বার্সেলোনা শুরুটা করেছিল ভালোই। প্রথম চার মিনিটে সার্জি রবের্তো ও লিওনেল মেসি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। কিন্তু রোমাই খোলে গোলমুখ। ডি রোসির নিখুঁত পাস ডিবক্সে পেয়ে যান জেকো, ছয় গজ দূর থেকে প্রথম স্পর্শেই মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেনকে ফাঁকি দিয়ে জলে বল ঠেলে দেন তিনি।
দুই মিনিট পরই বার্সা ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল। গোলমুখ থেকে ২৫ গজ দূর থেকে হুয়ান জেসাস ফেলে দেন মেসিকে। চমৎকার ফ্রি কিক নিলেও জালে বল জড়াতে পারেননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধে যেখান থেকে শেষ করেছিল রোমা, বিরতির পর সেখান থেকেই শুরু করে। বার্সার ডিবক্সে পিকে ফাউল করেন জেকোকে। পেনাল্টি থেকে ক্ষিপ্রগতির শটে টের স্টেগেনকে পরাস্ত করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রোমা অধিনায়ক ডি রোসি। ৬৮ মিনিটে আবারও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় বার্সা গোলরক্ষককে, নাইনগোলানকে এবার থামাতে সফল হন টের স্টেগেন। ৬ মিনিট পর ২০ গজ দূর থেকে মেসির সরাসরি শট সহজে লুফে নেন রোমার গোলরক্ষক অ্যালিসন।
শেষ দিকে মেসি ও উসমান দেম্বেলে তাদের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। আর অবিশ্বাস্য জয়ে শেষ চারের টিকিট কাটে রোমা। একই সঙ্গে ট্রেবল জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গেলো লা লিগার শীর্ষে থাকা বার্সার।
ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় এর আগে শেষ সেমিফাইনালে উঠেছিল রোমা ১৯৮৪ সালে। ওইবার ইউরোপিয়ান কাপের ফাইনালে তারা হেরে যায় লিভারপুলের কাছে। গোল ডটকম