ইউরোপে একাডেমি এবং ভারত ও আফ্রিকায় ক্লাব ফুটবলে কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা আছে হলের। ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফার এই কোচিং ইনস্ট্রাকটর রবিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি পুনে এফসিকে গড়ে তুলেছি, পুনের মতো নতুন ক্লাবকে ভারতের আই লিগে নিয়ে গিয়েছি। আফ্রিকার তানজানিয়ার ছোট্ট একটি ক্লাবকে প্রথম শিরোপা জিতিয়েছি, তাদের আফ্রিকান কনফেডারেশনস কাপে তুলেছি। শুধু দলের ২৫ জন খেলোয়াড় নয়, আমাকে পুরো ক্লাবকেই গড়ে তুলতে হয়েছে। সাইফেও আমি একই চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছি।’
স্টুয়ার্ট হলকে লন্ডনে কোচিং ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে পেয়েছিলেন দেশের অন্যতম সেরা কোচ মারুফুল হক। বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলির সঙ্গেও তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের ফুটবলারদের সম্পর্কে তেমন ভালো ধারণা পাননি সাইফ স্পোর্টিংয়ের নতুন কোচ। মজা করে তিনি বললেন, ‘ওরা বলেছেন, এদেশের ফুটবলাররা নাকি অলস। অবশ্য তার ওষুধও আছে। আমাকে হয়তো লাঠি ব্যবহার করতে হবে! তবে অন্যভাবেও খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করা যায়। আমার সব ধরনের অভিজ্ঞতাই আছে।’
ক্লাবটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিরউদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘ফুটবল মৌসুম শুরু হতে এখনও অনেক দেরি। তবে অনেক আগেই হলকে নিয়ে এসেছি আমরা। বুঝতেই পারছেন, আমাদের পরিকল্পনা অন্যদের চেয়ে ভিন্ন। স্টুয়ার্ট হলকে দিয়ে আমাদের ক্লাবের ফুটবল কাঠামো দাঁড় করাতে চাই। তিনি আমাদের বয়সভিত্তিক দল আর সেই দলগুলোর কোচদের নিয়ে কাজ করবেন। আমাদের মূল দল এখন বিকেএসপিতে আছে। এবার আমরা তারুণ্য নির্ভর দল গড়েছি। মূল দলের খেলোয়াড়দের নিয়েও হল কাজ করবেন।’